রবিবার, ১১ই এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ২৮শে চৈত্র, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২৯শে শাবান, ১৪৪২ হিজরি
রবিবার, ১১ই এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

শৌলপাড়া ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখছেন শৌলপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ইয়াছিন হাওলাদার। ছবি-দৈনিক হুংকার।

শরীয়তপুর সদর উপজেলার শৌলপাড়া ইউনিয়নের গ্রাম চিকন্দী এলাকায় ৬ নং ওয়ার্ড সদস্য ফিরোজ খান ও তার চাচা গোলাপ খানের সাথে জমিজমা নিয়ে দীর্ঘদিনের দ্বন্দ্ব চলে আসছে। সেই দ্বন্দ্বের জের ধরে গত ২৯ জুন মারামারির ঘটনা ঘটে। সেখানে ইউপি সদস্য ফিরোজ খান গুরুতর আহত হয়। এই বিষয়ে শৌলপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান ইয়াছিন হাওলাদারকে ঘিরে অনলাইন মিডিয়া ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার শুরু হয়। এই অপপ্রচারের প্রতিবাদে ১ জুলাই বেলা ১১টায় শৌলপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ সম্মেলন কক্ষ্যে সংবাদ সম্মেলন করেছেন চেয়ারম্যান ইয়াছিন হাওলাদার। এই সময় উপস্থিত ছিলেন, ইউপি সচিব তুহিন সিকদার, সহকারী সচিব হামিদা বেগম, ইউপি সদস্য লিয়াকত সরদার, সালাম হাওলাদার, মোহাম্মদ আলী খলিফা, সংরক্ষিত মহিলা সদস্যের স্বামী মনির খান, স্থানীয় খলিল বেপারী প্রমূখ।
সংবাদ সম্মেলন থেকে চেয়ারম্যান ইয়াসিন হাওলাদার তার বক্তেব্যে বলেন, ফিরোজ খান ও গোলাপ খান সম্পর্কে চাচা ভাতিজা। উভয় পক্ষই আমার এবং আমার সাথেই দলবল করে। দীর্ঘদিন ধরে তাদের ভিতরে জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলছে। এই বিষয়ে স্থানীয় গন্যমান্যরা ও আমি একাধিকবার দরবার শালিশী করেছি। কোন সিদ্ধান্তে আসতে পারি নাই। গত সোমবার আমি পরিষদে ছিলাম। তখন জানতে পারলাম গোলাপ খান গাছ কাটতে গেছে এবং ফিরোজ খান বাঁধা দেওয়ায় মারামারি হয়েছে। এটা তাদের পারিবারিক বিষয় কোন সন্ত্রাসী হামলা না। যারা ঘটনার সাথে জড়িত তাদেরই আসামী করে মামলা হয়েছে। আমি সফলতার সাথে সকল সমস্যা মোকাবেলা করে ইউনিয়নের উন্নয়ন করছি তা এক শ্রেণীর লোকের গাঁয়ে জ্বালা ধরায়। সামনে নির্বাচন হবে। যদি কোন ভাবে ইউনিয়নসাবীর কাছে আমাকে খারাপ ভাবে উপস্থাপন করতে পারে তাহলে তাদের সুবিধা হবে। একটি অনলাইন মিডিয়ায় ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আমার নামে অপপ্রচার চালাচ্ছে। আমার ইন্দ্রোনে নাকি এই মারামারির ঘটনা ঘটেছে। যে অনলাইন মিডিয়ায় এই অপপ্রচার চালাচ্ছে সেই মিডিয়ার প্রতিনিধি বা অন্য কেউ আমার সাথে যোগাযোগ করে নাই বা আমার কোন প্রকার বক্তব্য না নিয়ে উদ্দেশ্য প্রনোদিত ভাবে এই অপপ্রচার করেছে। এই সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আমি তার তিব্র প্রতিবাদ জানাই। আমার যদি কোন প্রকার ইন্দ্রোন থাকত তাহলে বাদী আমাকে এজাহার ভুক্ত আসামী করত বা পুলিশী তদন্তে তা বেরিয়ে আসত। ফিরোজ খানকে আমি হাসপাতালে দেখতে গেছি। সেখানে তার সাথে আমার কথা হয়েছে। ফিরোজ খানের স্ত্রী পারভীন আক্তার বাদি হয়ে ঘটনার সাথে জড়িতদের আসামী করেছে। আমাকে ইন্দ্রোনদাতা এই ধরনের কোন আচরণ তাদের পক্ষ থেকেও পাই নাই।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ উপ-পরিদর্শক এসএম সুলতান মাহমুদ বলেন, এটা চাচা-ভাতিজার পারিবারিক দ্বন্দ্ব। দীর্ঘ দিনের বিরোধ। ১ মাস পূর্বেও উভয় পক্ষকে ডেকে এক জায়গায় বসে চা খেয়ে বিরোধ মিমাংসার চেষ্টা করছি। তার পরেও এই ঘটনা ঘটিয়েছে। আমি মামলাটি তদন্ত করছি। চেয়ারম্যানের কোন সম্পৃক্ত পাইনি। খুব শীঘ্রই তদন্ত শেষ করে চার্জ শীট দেয়ার চেষ্টা করব। ইতোমধ্যে জখমীর ডাক্তারী সনদ তলব করা হয়েছে।


error: দৈনিক হুংকারে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।