শুক্রবার, ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ, ২০ মাঘ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ১১ রজব ১৪৪৪ হিজরি
শুক্রবার, ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ

জলাবদ্ধতা নিরশনে শতাধিক কৃষকের মুখে হাসি ফোটালেন জেলা প্রশাসন

তুলাসারে জলাবদ্ধতা নিরশনে করে চাষের উপযোগী জমি পরিদর্শণ করছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র। ছবি-দৈনিক হুংকার।

এক ইঞ্চি জমিও অনাবাদি রাখা যাবে না মর্মে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা বাস্তবায়নে শরীয়তপুর জেলার জেলা প্রশাসক মোঃ পারভেজ হাসান এবং সদর উপজেলার নির্বাহী অফিসার জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র বিগত দিনে কৃষি উদ্ভাবনী মেলা আয়োজন করেন। কৃষি ফসল উৎপাদনের লক্ষ্যে কৃষি উদ্ভাবনী মেলায় জেলা প্রশাসক কৃষকদের কৃষি আধুনিক যন্ত্রপাতি, ধানের বীজ, চারা, সার এবং ইরি সেচ পাম্প মেশিন বিতরণ করেন।
জেলা প্রশাসক বলেন, কৃষি ফসল উৎপাদন করা যায় এমন জমি, বাড়ির আঙ্গিনা ভিটাসহ এক ইঞ্চি জমিও কৃষি অনাবাদি রাখা যাবে না। শরীয়তপুর সদর উপজেলার তুলাসার ইউনিয়নের উপরগাঁও বড়াইল গ্রামের প্রায় ৩৫ একর কৃষি জমি দীর্ঘ ২৫ বছর যাবত জলাবদ্ধতার কারণে অনাবাদী হিসেবে পড়েছিল। বিষয়টি ভূক্তভোগী কৃষকরা গণশুনানিতে জেলা প্রশাসকের নজরে আনেন।
শরীয়তপুর জেলা প্রশাসকের ত্বরিত দিকনির্দেশনা ও তাগিদ অনুযায়ী সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র কয়েক বার সরেজমিন পরিদর্শন করে সেচ পাম্প লাগিয়ে আবদ্ধ পানি অপসারণ করার ব্যবস্থা করেন। এতে প্রায় ৩৫ একর জমির শতাধিক কৃষক প্রায় বিশ বছর পর নতুন করে চাষের আওতায় আনতে পেরেছে। এছাড়া খাল খনন এর প্রকল্প অনুমোদন হয়েছে। শীঘ্রই সে প্রকল্পের কাজ শুরু হবে। এর ফলে অচিরেই এই বিস্তীর্ণ এলাকায় বছরে তিন ফসল ফলনের অমিত সম্ভাবনা সৃষ্টি হতে চলেছে। জেলা প্রশাসনের এই জনবান্ধব উদ্যোগে ভীষণ খুশি স্থানীয় কৃষকগণ। এক ইঞ্চি জমিও অনাবাদি থাকবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এই যুগোপযোগী নির্দেশ অনুসারে আরও এক তাৎপর্যপূর্ণ পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করল শরীয়তপুর জেলা প্রশাসন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

দৈনিক হুংকারে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।


error: দৈনিক হুংকারে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।