রবিবার, ৬ই ডিসেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ, ২১শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২১শে রবিউস সানি, ১৪৪২ হিজরি
রবিবার, ৬ই ডিসেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

রুদ্রকরে জমি দখলে বাঁধা দেয়ায় কুপিয়ে জখমের অভিযোগ

প্রতিপক্ষের হামলার শিকার রাবিয়া বেগম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ছবি-দৈনিক হুংকার।

শরীয়তপুর সদর উপজেলার রুদ্রকরে বিরোধীয় জমি জোরপূর্বক দখল করতে গিয়ে প্রতিপক্ষকে কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে একটি প্রভাবশালী মহলের বিরুদ্ধে। এই সময় ৪ জনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম করেছে বলেও জানাগেছে। এই বিষয়ে উভয় পক্ষে পালং মডেল থানায় অভিযোগ দাখিল করেছে। পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহন করবেন বলে জানিয়েছেন।
সরেজমিন গিয়ে জানাগেছে, রুদ্রকর ইউনিয়নের মধ্য সোনামুখী গ্রামের হানিফ হাওলাদারের বসত ঘরের সামনের জমি দখল করে ছামাদ আকনের নেতৃত্বে প্রতিবেশী মৃত সামসুল আকনের ছেলে মনির, রাসেল, নুরুল হক আকন ও তার ছেলে শুকুর, রুবেল ও মাসুদ ১৯ জুন শুক্রবার ভোররাতে ঘর নির্মাণ করতে চেষ্টা করে। বিষয়টি টের পেয়ে হানিফ হাওলাদারের স্ত্রী রাবিয়া বেগম বাঁধা প্রদান করে। তখন হামলাকারীরা রাবেয়া বেগমকে মারধর করে। রাবিয়া বেগমকে রক্ষা করতে গেলে তার ছেলে মনির হোসেন হাওলাদার, ভাই ইসমাইল আকন ও তার স্ত্রী বিলকিস বেগম ও বোন রোকেয়া বেগমকে কুপিয়ে জখম করেছে হামলাকারীরা। গুরুতর আহতরা শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এই বিষয়ে পালং মডেল থানায় রাবেয়া বেগমের ছেলে মনির হোসেন লিখিত অভিযোগ করেছে।
অভিযোগকারী মনির হোসেন বলেন, ছামাদ আকনের নেতৃত্বে নুরু আকন লোকজন নিয়ে এসে শুক্রবার ভোরে আমাদের বসত ঘরের সামনে নতুন ঘর নির্মাণের চেষ্টা করে। তখন আমার মা রাবিয়া বেগম বাঁধা প্রদান করে। আসামীরা আমার মাকে মারধর করে। আমার মাকে রক্ষা করতে আমি আমার খালা ও মামা আগাইয়া যাই। তখন আসামীরা আমাদেরও মারধর করে। এই জমি নিয়ে আদালতে মামলা চলমানসহ নালিশী জমিতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। পালং মডেল থানাসহ স্থানীয় ভাবে একাধিকবার দরবার সালিশীও হয়েছে। সকল কিছু অমান্য করে আসামীরা আমাদের ঘর-দরজা ভেঙ্গে দিয়ে জমি দখলের ঘটনা ঘটায়। ছামাদ আকন এলাকায় এর পূর্বেও এই ধরনের আরও অনেক ঘটনা ঘটিয়েছে।
হামলাকারী মনির ও রাসেলেম মা জানায়, জমি নিয়ে বিরোধ আছে। আজ যে ঘটনা ঘটেছে সেই ঘটনার সাথে আমার ছেলেরা জড়িত নাই। আমার ছেলেরা ঢাকায় আছে।
হামলাকারী নুরু আকন বলেন, আমাদের পক্ষেও জখম হয়েছে। আমিও থানায় অভিযোগ করেছি। উভয় পক্ষে লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে এবং তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে বলে জানিয়েছে পালং মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আশরাফুল ইসলাম।


error: দৈনিক হুংকারে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।