সোমবার, ২রা আগস্ট, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ১৮ই শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২৩শে জিলহজ, ১৪৪২ হিজরি
সোমবার, ২রা আগস্ট, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

ডোমসারে সরকারি জমিতে মন্দির নির্মাণ, বাঁধার মুখে বন্ধ হলো কাজ

ডোমসারে সরকারি জমিতে মন্দির নির্মাণ, বাঁধার মুখে বন্ধ হলো কাজ

শরীয়তপুর সদর উপজেলার ডোমসারে সরকারি জমিতে মন্দির নির্মাণে বাঁধা প্রদান করা হয়েছে। ইউনিয়ন সহকারী ভূমি অফিসার, ইউপি চেয়ারম্যনসহ উভয় পক্ষের উপস্থিতিতে এই বাঁধা প্রদান করেন। সেই থেকে মন্দিরের নির্মাণ কাজ বন্ধ রয়েছে। রেকর্ড সংক্রান্ত জটিলতা সমাধান করে মন্দির নির্মাণ করবেন বলে জানিয়েছেন মন্দির পরিচালনা কমিটি।
বিআরএস পর্চা ও স্থানীয় সূত্রে জানাগেছে, বিআরএস জরিপে সদর উপজেলার কোয়ারপুর মৌজার ৮৪১৭ নং দাগের ৯ শতাংশ জমি (পোস্ট অফিস) ১/১ খতিয়ানে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে শরীয়তপুরের জেলা প্রশাসকের নামে রেকর্ড হয়। সেই জমিতে অস্থায়ী ভাবে দূর্গা মন্দির নির্মাণ করে পূর্জা উদযাপন করা হত। করোনায় লকডাউন চলাকালে সেই জমিতে স্থায়ী পাঁকা মন্দির নির্মাণ কাজ শুরু করে মন্দির পরিচালনা কমিটি।
মন্দির পরিচালনা কমিটির সভাপতি দেব প্রসাদ সাহা ও সম্পাদক সুদীপ্ত ঘোষ রানা জানায়, ২০ বছরের অধিক সময় ধরে এই মন্দিরে তারা পূজা উদযাপন করে আসছেন। ডা. গৌরচন্দ্র দাসের নামে এই জমির এসএ পর্চা। আমরা জানতাম না যে, বিআরএস জরিপে (পোস্ট অফিস) জেলা প্রশাসকের নামে জমি রেকর্ড হয়েছে। ৩ বছর পূর্বে জানতে পেরে মন্দিরের নামে ডিসিআর এর মাধ্যমে লিজ এনেছি। এখন মন্দিরের নতুন ভবন নির্মানে বাঁধা আসছে। আমরা রেকর্ড সংশোধনের মামলা করব। বিষয়টি সমাধান করেই মন্দির নির্মাণ করব।
চিকন্দী ভূমি অফিসের সহকারী ভূমি অফিসার ফরহাদ হোসেন বলেন, ১/১ খতিয়ানের সরকারি জমিতে মন্দির ছিল। ৩ বছর পূর্বে মন্দিরের নামে একটা লিজ নেয়। সেই জমিতে মন্দির নির্মাণ কাজ শুরু করলে পোস্ট অফিসের পক্ষে বাঁধা পড়ে। তখন ডোমসার ইউনিয়নের চেয়ারম্যান চাঁন মিয়া মাদবর, স্থানীয় লোকজনসহ উভয় পক্ষের উপস্থিতিতে সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়েছে জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করে মন্দির নির্মাণ করার জন্য বলি। তাছাড়া লিজকৃত জমিতে পাঁকা স্থাপনা নির্মাণের কোন বিধান নাই।
সদর উপজেলা ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার তানিয়া আক্তার বলেন, এই বিষয়ে কোন পক্ষই আমার সাথে যোগাযোগ করে নাই। সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন ভূমি অফিসারের সাথে আলাপ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মাহাবুর রহমান শেখ বলেন, বিষয়টি আমার জানা নাই। খোঁজ খবর নিয়ে দেখতে হবে। তবে ১/১ খতিয়ানের জমিতে পাঁকা ভবন করার কোন নিয়ম নাই। জমিতে যদি পূর্বের কোন স্থাপনা থেকে থাকে তাহলে সেই ভাবেই থাকবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

মন্তব্য

দৈনিক হুংকারে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।


error: দৈনিক হুংকারে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।