মঙ্গলবার, ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ৬ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৪ই সফর, ১৪৪৩ হিজরি
মঙ্গলবার, ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

ছয়দিন ধরে বাংলাবাজার-শিমুলিয়া রুটে ফেরী বন্ধ ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হচ্ছে মানুষ

ছয়দিন ধরে বাংলাবাজার-শিমুলিয়া রুটে ফেরী বন্ধ ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হচ্ছে মানুষ
রাতের আধারে ট্রলার যোগে ঝুঁকি নিয়ে পদ্মা নদী পার হচ্ছেন যাত্রীরা। ছবি-দৈনিক হুংকার।

শরীয়তপুর-মাদারীপুরসহ দক্ষিন বঙ্গের ২২ জেলার মানুষের পদ্মা পারাপার শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌ-রুটে ৬ দিন ধরে ফেরি পারাপার বন্ধ রয়েছে। এই নৌ-রুটে সকাল সাড়ে ৬টা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত পদ্মা পারাপারে একমাত্র মাধ্যম ছোটছোট যাত্রিবাহি লঞ্চ। নির্ধারিত সময়ের বাহিরে প্রশাসনের দৃষ্টির আড়ালে জরুরী প্রয়োজনে ঝুঁকি নিয়ে ইঞ্জিন চালিত ছোট নৌকায় পদ্মা পার হয় অনেকে। অবৈধ পারাপার ঠেকাতে হিমসিম খাচ্ছেন বিআইডব্লিুউটিএ কর্তৃপক্ষ। অবৈধ পারাপার ঠেকাতে না পারলে বড় ধরণের দূর্ঘটনা আশঙ্কা করছেন নৌ-কর্তৃপক্ষ।
বিআইডব্লিউটিএ মাঝিকান্দি ঘাট ইনচার্জ আব্দুল্লাহ ইনাম বলেন, মাঝির কান্দি ও শিমুলিয়া নৌ-রুটে পদ্মা পারাপারে একমাত্র অনুমোদিত ও বৈধ নৌ-যান লঞ্চ। ভোর সাড়ে ৬টা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত প্রতি ১০ মিনিট পরপর এই রুটে যাত্রিবাহি লঞ্চ চলে। এর আগে ও পরে স্থানীয় কিছু লোকজন ইঞ্জিন চালিত ছোট নৌকায় করে মানুষ, মটর সাইকেল পার করে। বর্ষা মৌসুমে পদ্মায় প্রবল স্রোত থাকায় ফেরিও নিয়ন্ত্রন হারিয়ে ফেলে। ১৮ আগস্ট থেকে এই রুটে ফেরি চলাচল বন্ধ রয়েছে। সেই ক্ষেত্রে ছোট নৌযানে পদ্মা পার হওয়া খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। আমরা প্রশাসনের সহায়তায় ছোট নৌকার পারাপার বন্ধের চেষ্টা করছি। ঘাট থেকে বহুদূর দিয়ে স্থানীয় কতিপয় অসাধু ব্যক্তি পালিয়ে ছোট নৌকা দিয়ে মানুষ ও মটর সাইকেল পার করে। এই ভাবে পদ্মা পারাপার খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। নৌ-পরিবহন আইন অনুযায়ী লঞ্চে বয়া ও সী বোর্টে লাইফ জ্যাকেট থাকে। কিন্তু ট্রলারে কোন বয়া বা লাইফ জ্যাকেটও থাকে না। দূর্ঘটনা ঘটলে কেউ বাঁচবে না।
স্থানীয় এক ট্রলার চালক জানায়, মানুষ ওপারে যাওয়ার জন্য এসে পদ্মার পারে অসহায়ের মতো বসে থাকে। তখন লঞ্চ থাকে না। আমরা মানুষের উপকার করি। বর্ষা মৌসুমে পদ্মা পারাপার একটু ঝুঁিকপূর্ণ হলেও আমরা সাবধানতা অবলম্বন করি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

মন্তব্য

দৈনিক হুংকারে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।


error: দৈনিক হুংকারে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।