শুক্রবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ১৩ই কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২৩শে রবিউল আউয়াল, ১৪৪৩ হিজরি
শুক্রবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

বিভ্রান্তিমূলক সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

বিভ্রান্তিমূলক সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য রাখছেন ভূক্তভোগী পরিতোষ বনিক। ছবি-দৈনিক হুংকার।

শরীয়তপুরে বিভ্রান্তিমূলক সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে এক ভুক্তভোগী পরিতোষ বনিক। রবিবার (২২ আগস্ট) দুপুর ১২টার দিকে শরীয়তপুর ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া জার্নালিষ্ট এসোসিয়েশনের মিলনায়তনে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় শরীয়তপুর ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার জার্নালিষ্ট এসোশিয়েশনের সভাপতি রোকনুজ্জামান পারভেজ ও সাধারণ সম্পাদক শহিদুজ্জামান খান, শরীয়তপুর প্রেসক্লাবের সহসভাপতি শেখ খলিলুর রহমান, দীপ্ত টিভির জেলা প্রতিনিধি রাজিব হোসেন রাজনসহ জেলার প্রিন্ট, ইলেক্ট্রনিক ও অনলাইন পোর্টালের সংবাদ কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

লিখিত বক্তব্যে পরিতোষ বনিক বলেন, শরীয়তপুর সদরের ৬০ নং পালং মৌজার এসএ ৯৫০ দাগে বিআরএস ৩৯৪৪ দাগে ৬ দশমিক ৬ এবং ৩৯৫০ দাগে ৯ দশমিক ৭৫ শতক জমি আমার পৈতৃক ও মাত্রিক সম্পত্তি। দীর্ঘদিন যাবত আমার বাবা মৃত কানাই লাল বণিক ও মা গীতা রানী বণিক ক্রয়কৃত ভোগ দখলীয় সম্পত্তি,  স্থানীয় সঞ্জয় দে, স্বপন বনিক, রতন বনিক, মন্টু বনিক, ত্রিনাথ বনিক ও নন্দনাল বনিক জোড়পূর্বক দখল করার চেষ্টা করে। এ ঘটনায় ওই ছয়জনের বিরুদ্ধে গত ২০১৯ সালে ২৬ এপ্রিল পালং মডেল থানায় একটি জিডি করা হয়।

এছাড়া ১৯৯৭ সালের ২৬ জুলাই আমার চাচাতো ভাই সরকারি কর্মচারি সুব্রত কুমার বনিকের বাবা মিহির কুমার বনিকের সঙ্গে আমার বাবা কানাই লাল বনিকের ওই সম্পত্তি নিয়ে শালিশ মিমাংসা নামার চুক্তি হয়। কিন্তু সুব্রত কুমার বনিক অপশক্তি ব্যবহার করে সেই চুক্তি ভঙ্গ করে, বিআরএস জরিপের সময় প্রতিবেশী সুশীল অধিকারীর বসত ঘরের দাগ কেটে সুব্রত কুমার বনিকের বাবার নামে নেয়। এবং সুশীল অধিকারীর দাগ আমাদের বসত ঘরের দাগের ভিতরে দিয়ে দেয়। তাই তাদের অপশক্তির কাছে নিরুপায় হয়ে গত ১৯ জুলাই স্থানীয় মনির হোসেন ব্যাপারীর কাছে ওই জমি আমমোক্তারনামা পাওয়ার দিতে বাধ্য হই।

তিনি বলেন, সম্প্রতি কয়েকটি গনমাধ্যমে আমাকে ও দলিল লেখক নুরুল হক মিয়া নিয়ে কাগজপত্র জালিয়াতি করে অর্ধ কোটি টাকার সম্পতি আমমোক্তার দলিল সম্পাদন করা হয়েছে বলে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। সংবাদটি আমার নজরে এসেছে। একটি কুচক্রি মহল সাংবাদিকদের মিথ্যা তথ্য দিয়ে বিভ্রান্তিমূলক সংবাদ প্রকাশ করতে বাধ্য করেছে। এতে আমি মানসিক ও সামাজিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছি। এ আমমোক্তা নামা পাওয়ারের লেখক নুরুল হক মিয়া না। আমি এ সংবাদের তিব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

মন্তব্য

দৈনিক হুংকারে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।


error: দৈনিক হুংকারে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।