বৃহস্পতিবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২২শে রবিউল আউয়াল, ১৪৪৩ হিজরি
বৃহস্পতিবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

শরীয়তপুরে ওএমএস পণ্য বিক্রির অনিয়মের বিষয়ে ব্যবস্থা নিবে প্রশাসন

Auto Draft
আংগারিয়া বাজারের ডিলার ইয়াকুব হোসেনের ওএমএস বিক্রয় কেন্দ্র। ছবি-দৈনিক হুংকার।

শরীয়তপুর পৌরসভার আংগারিয়া বাজারে খাদ্য বিভাগ কর্তৃক সুলভ মূল্যে আটা-চাল বিক্রির জন্য ডিলার হিসাবে মো. ইয়াকুব হোসেনকে নিয়োগ করা হয়। চাল-আটা বিক্রির ক্ষেত্রে মূল্য বেশী গ্রহণ করা ও ওজনে কম দেয়ার বিষয়ে কয়েকজন ভোক্তা জেলা খাদ্য অফিসে অভিযোগ করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে সরেজমিন পরিদর্শণ করে প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছেন জেলা খাদ্য কর্মকর্তা মো. নুরুল হক। এই বিষয়ে জেলা খাদ্য কমিটির সভাপতির সাথে পরমর্শ করে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে জানিয়েছেন তিনি। তবে অনিয়মে কথা অস্বীকার করেছেন ডিলার।
জেলা খাদ্য অফিস সূত্রে জানাগেছে, শরীয়তপুর পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় খোলা বাজারে খাদ্য বিভাগের আটা-চাল বিক্রির জন্য ১০ জন ডিলার নিয়োগ করা হয়। ইয়াকুব হোসেন খাদ্য বিভাগের আটা-চাল বিক্রির একজন ডিলার। শুক্রবার বাদে প্রতিদিন এই ডিলার ৫০০ কেজি আটা ও ৫০০ কেজি চাল উত্তোলন করেন আংগারিয়া খাদ্য গুদাম থেকে। গ্রাহকদের লাইনে দাঁড় করে প্রত্যেকের কাছে ৩০ টাকা দরে ৫ কেজি চাল ও ১৮ টাকা দরে ৫ কেজি আটা বিক্রি করার নিয়ম রয়েছে। সেই ক্ষেত্রে ডিলারের বিরুদ্ধে ভোক্তাগণ অভিযোগ করেন আটা-চালের নির্ধারিত মূল্যের চাইতে প্রতি কেজিতে ৫ টাকা পর্যন্ত বেশী মূল্যে নেয়া হয়। বিষয়টি সরেজমিন তদন্ত করে সত্যতা পেয়েছে জেলা খাদ্য কর্মকর্তা।
ডিলারের ওএমএস বিক্রয় কেন্দ্রে গিয়ে তাকে পাওয়া যায় নাই। সেখানে উপস্থিত হারুন অর রশিদ হাওলাদার বলেন, ডিলার আমার জামাতা। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে আমার জামাতার ওএমএস বিক্রয় কেন্দ্রের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ করেছে। অথচ অভিযোগকারীর কোন অস্তিত্ব নাই। তাছাড়া আমার জামাতাই সঠিক মূল্যে চাল-আটা বিক্রি করে। এই বিক্রয় কেন্দ্রে কোন অনিয়ম হয় নাই। ডিলার ইয়াকুব আমার জামাতা হওয়ার কারণে পরিস্থিতি শিকার।
জেলা খাদ্য কর্মকর্তা মো. নুরুল হক অনিয়মের সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ৪ জন ভোক্তা আমার কাছে অনিয়মের বিষয়ে অভিযোগ করে। পরবর্তীতে ঢাকা অফিস থেকেও মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ডিলারের অনিয়মের বিষয়ে আমাকে অবহিত করে। সোমবার সকালে ডিলারের ওএমএস বিক্রয় কেন্দ্র পরিদর্শন করি। প্রাথমিক ভাবে অনিয়মের সত্যতা পাওয়া গেছে। জেলা-উপজেলা খাদ্য কমিটির উপদেষ্টা ও সভাপতির সাথে পরামর্শ করে বিধিমোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এই বিষয়ে সদর উপজেলা খাদ্য কমিটির সভাপতি ও সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনদীপ ঘরাই বলেন, এই বিষয়ে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক আমাকে অবহিত করেছেন। জেলা কমিটির কাছে প্রতিবেদন প্রেরণ করে যথাযথ ব্যবস্থা নেবো।

সংবাদটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

মন্তব্য

দৈনিক হুংকারে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।


error: দৈনিক হুংকারে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।