সোমবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ৯ই কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৯শে রবিউল আউয়াল, ১৪৪৩ হিজরি
সোমবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

স্বর্ণঘোষে কলাগাছ লাগানোর দ্বন্দ্বে ৪ জন আহত

স্বর্ণঘোষে কলাগাছ লাগানোর দ্বন্দ্বে ৪ জন আহত
স্বর্ণঘোষে কলাগাছ লাগানোর দ্বন্দ্বে ৪ জন আহত

শরীয়তপুর পৌরসভার স্বর্ণঘোষে বিরোধীয় জমিতে কলাগাছ লাগানোকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষে সংঘর্ষ হয়েছে। ৫ জুন শনিবার দুপুরে স্বর্ণঘোষ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষে ৪ জন আহত হয়েছে বলে দাবী করা হয়েছে। আহত ২ জনকে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
জানাগেছে, স্থানীয় হাফিজ উদ্দিন তালুকদারের কাছ থেকে আব্দুল লতিফ ও তার স্ত্রী শাহানা আক্তার জমি ক্রয় করে প্রায় দেড়যুগ ধরে সেই জমিতে বাড়ি নির্মাণ করে বসবাস করে আসছে। প্রতিবেশী জাহেদ আলী খান সেই বাড়ির ভেতরে জমির মালিকানা দাবী করে আসছিল। ইতোমধ্যে স্থানীয় সালিশগন জমি পরিমাপ করে দিলে জাহেদ আলী খান আব্দুল লতিফের বাড়ির কিছু অংশে ঢুকে যায়। শনিবার সেখানে কলাগাছ লাগায় জাহেদ আলী খানের ছেলে খোরশেদ ও এরশাদ। সেই কলাগাছ তুলে ফেলে আব্দুল লতিফের ছেলে শিশির ও তার খালাতো ভাই জাকির খান। তখন উভয় পক্ষে সংঘর্ষ হয়। এতে শিশির, জাকির, খোরশেদ ও এরশাদ আহত হয়। আহত শিশির ও জাকিরকে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
আহত শিশিরের মা শাহানা বেগম বলেন, আমি ১৮ বছর পূর্বে জমি ক্রয় করে বাউন্ডারী দেয়াল নির্মাণ করি। পরবর্তীতে সেখানে বাড়ি করে বসবাস করছি। কিছুদিন ধরে আমার বাড়িতে চুরি হয়। বাড়ির ভেতরের গাছে ফল থাকে না। এবার আমার সীমানায় প্রতিবেশী জাহেদ আলী খানের ছেলেরা কলাগাছ লাগায়। আমার ছেলে শিশির ও আমার বড় বোনের ছেলে জাকির সেই কলাগাছ সরিয়ে ফেলে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে এরশাদ ও খোরশেদ আমার ছেলে ও ভাগ্নেকে মারধর করেছে। আমার বাড়িতে শান্তিপূর্ণ বসবাস করতে পারছি না। আমি প্রশাসনের কাছে ন্যায় বিচার চাই।
অপর পক্ষে আহত এরশাদ বলেন, আমাদের জমি ২০ বছর ধরে জবর দখল করছে প্রতিবেশী আব্দুল লতিফ ও তার পরিবার। এবার স্থানীয়দের মাধ্যমে জমি পরিমাপ করা হলে লতিফের বাড়ির ভিতরে ৬ ফুট জমি পাই। শনিবার সেই জমিতে কলাগাছ লাগাতে গেলে আমাদের উপর হামলা চালায়। এতে আমি ও আমার বড় ভাই খোরশেদ আহত হই। আমরাও হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিব।

সংবাদটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

মন্তব্য

দৈনিক হুংকারে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।


error: দৈনিক হুংকারে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।