বৃহস্পতিবার, ১৩ই মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ৩০শে বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১লা শাওয়াল, ১৪৪২ হিজরি
বৃহস্পতিবার, ১৩ই মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

হুংকারে সংবাদ প্রকাশের পরে ইজিপিপি প্রকল্পে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ শুরু

হুংকারে সংবাদ প্রকাশের পরে ইজিপিপি প্রকল্পে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ শুরু
চন্দ্রপুরে ইজিপিপি প্রকল্পস্থল পরিদর্শণ করছেন সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনদীপ ঘরাই। ছবি-দৈনিক হুংকার।

শরীয়তপুরে বহুল প্রচারিত দৈনিক হুংকার পত্রিকায় ‘চন্দ্রপুরে ইজিপিপি প্রকল্পে চলছে সাগর চুরি’ শিরোনামে অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান প্রকল্পের অনিয়ম তুলে ধরে সংবাদ প্রকাশিত হয়। সংবাদ প্রকাশের পরে সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনদীপ ঘরাই প্রকল্পস্থল পরিদর্শণ করেছেন। বিষয়টি তদন্ত না হওয়া পর্যন্ত শ্রমিকদের মজুরী বন্ধ রেখে প্রকল্প সভাপতিকে পত্র প্রেরণ করা হয়েছে। অনুলিপি দেয়া হয়েছে সংশ্লিষ্ঠ দপ্তর সমূহকে।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে সোমবার (২ মে) তারিখে প্রকল্পের কাজ সরেজমিনে তদন্ত না হওয়া পর্যন্ত শ্রমিকদের মজুরী প্রদান বন্ধ থাকবে ও পরিপত্রের নির্দেশনা অনুযায়ী অনুপস্থিত শ্রমিকদের মজুরী প্রদানের সুযোগ নাই। প্রকল্পের জন্য বরাদ্দকৃত যথাযথ শ্রমিক প্রকল্পের কাজে উপস্থিত রাখার জন্য প্রকল্পের সভাপতির প্রতি অনুরোধ রাখা হয় এই পত্রের মাধ্যমে।
চন্দ্রপুর ইউপি চেয়ারম্যান ওমর ফারুক মোল্যা দাবী করেন, বৃষ্টি-বর্ষা চলে আসলে খাল খনন কাজে বিঘ্ন ঘটে। তাই প্রকল্পের শুরুতেই অতিরিক্ত শ্রমিক নিয়ে কাজ করা হয়েছে। প্রচন্ড রোদ ও গরমে শ্রমিক অসুস্থ হয়ে পড়ার কারণে গত ২ মে কম শ্রমিক প্রকল্পস্থলে উপস্থিত হয়। তাছাড়াও দীর্ঘ খালের বিভিন্ন স্থলে শ্রমিক কাজ করছিল। পরবর্তীতে প্রকল্পের নিয়ম মেনে শ্রমিক উপস্থিত রেখে প্রকল্পের কাজ করা হবে।
প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম বলেন, পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পরে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সাথে প্রকল্পস্থল পরিদর্শন করি। ৩ এপ্রিল প্রকল্পে ৪৮ জন শ্রমিক দেখা গেছে। ২ এপ্রিলে কম শ্রমিক উপস্থিত রাখার বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
অভিযোগ পাওয়ার ১২ ঘন্টার মধ্যেই প্রকল্পস্থল পরিদর্শণ করে ট্যাগ অফিসারকে সতর্ক হওয়ার নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে। প্রকল্প সভাপতিসহ সংশ্লিষ্ঠ সকল দপ্তরে পত্র প্রেরণ করা হয়েছে। নিয়ম মেনে প্রকল্পের কাজ চলমান থাকবে এবং তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত শ্রমিকদের মজুরী বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছেন শরীয়তপুর সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনদীপ ঘরাই।
উল্লেখ্য, শরীয়তপুর সদর উপজেলায় দ্বিতীয় পর্যায়ে ২০২০-২০২১ অর্থ বছরে ‘অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান’ কর্মসূচির কাজে ২ মে রোববার ১১টার দিকে চরগাজিপুর হামিদ খানের বাড়ির নিকট হতে দক্ষিনে নুরুল আমিন আকনের জমির সীমানা পর্যন্ত খাল পুন:খনন প্রকল্পে গিয়ে ৬৮ জন শ্রমিকের স্থলে ৫ জন শ্রমিককে কাজ করতে দেখা যায়।

সংবাদটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

মন্তব্য

দৈনিক হুংকারে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।