শনিবার, ২৭শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ১৪ই ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ১৫ই রজব, ১৪৪২ হিজরি
শনিবার, ২৭শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

শরীয়তপুর সদর উপজেলা ও পৌরসভা আওয়ামীলীগের উদ্যোগে শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন

শরীয়তপুর সদর উপজেলা ও পৌরসভা আওয়ামীলীগের উদ্যোগে শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদ্যাপন
শরীয়তপুর সদর উপজেলা ও পৌরসভা আওয়ামীলীগের উদ্যোগে শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখছেন ইকবাল হোসেন অপু এমপি। ছবি-দৈনিক হুংকার।

শরীয়তপুর সদর উপজেলা ও শরীয়তপুর পৌরসভা আওয়ামীলীগের আয়োজনে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-২০২১ উদযাপন করা হয়েছে। দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে জেলা আওয়ামীলীগ কার্যালয়ে ২১ ফেব্রুয়ারী সন্ধ্যায় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য ও জিপি এডভোকেট আলমগীর মুন্সির পরিচালনায় আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা আবুল হাসেম তপাদার। সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন শরীয়তপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য ইকবাল হোসেন অপু এমপি। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক অনল কুমার দে, জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি আব্দুর রব মুন্সী, শরীয়তপুর পৌরসভার মেয়র এডভোকেট পারভেজ রহমান জন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মির্জা হজরত আলী, একেএম ইসমাইল হক, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাজ পিন্টু, সদর উপজেরা আওয়ামীলীগের সভাপতি এডভোকেট জাহাঙ্গীর হোসেন, সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা, শরীয়তপুর পৌরসভা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আমির হোসেন খান, জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক নুহুন মাদবর, সদর উপজেরা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সামিনা ইয়াছমিন, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহসভাপতি ফাহাদ হোসেন তপু, জেলা ছাত্রলীগের আহবাক মহসীন মাদবর প্রমূখ। এই সময় জেলা আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইকবাল হোসেন অপু এমপি বলেন, বাংলাদেশ মানেই বঙ্গবন্ধু। বঙ্গবন্ধুকে বাদ দিয়ে ভাষা আন্দোলন, ছয়দফা আন্দোলন, গণঅভূত্থান, স্বাধিনতা যুদ্ধ কোনটাই চিন্তা করা যায় না। সকল কিছুর মূলেই রয়েছে বঙ্গবন্ধু। এখন বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন পূরণ করছেন তার সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ আমি রফিক, সফিক, ছালাম, বরকত, জব্বারদের ভাষার জন্য শহীদ হওয়ার বিষয়ে আলোচনা করছি। এই শহীদরা বঙ্গবন্ধুর আহবানে ছাত্র ঐক্য পরিষদ গঠন করে ভাষার জন্য জীবন বিলিয়ে দেয়। তাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আজ আমরা মায়ের ভাষায় কথা বলি। ভাষা আন্দোলনের পরপরই বঙ্গবন্ধু মানুষের মুক্তির বিষয়ে আন্দোলন গড়ে তোলেন। ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের মধ্য দিয়ে সেই আন্দোলন শেষ হয়। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বেই দেশ স্বাধীন হয়েছে। বিশ্বের মানচিত্রে আজ বাংলাদেশ একটি স্বাধীন ভূখন্ড। আর বাঙ্গালী জাতি স্বাধীন জাতি এবং মায়ের ভাষায় কথা বলে।


error: দৈনিক হুংকারে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।