মঙ্গলবার, ১৯শে জানুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ৫ই মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ৬ই জমাদিউস সানি, ১৪৪২ হিজরি
মঙ্গলবার, ১৯শে জানুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

শরীয়তপুরে সিডিসি কোভিড-১৯ ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা সভা

শরীয়তপুরে সিডিসি কোভিড-১৯ ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা সভা
শরীয়তপুরে সিডিসি কোভিড-১৯ ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা সভায় সভাপতির বক্তব্য রাখছেন সিভিল সার্জন ডাঃ এস.এম আব্দুল্লাহ আল মুরাদ। ছবি-দৈনিক হুংকার।

শরীয়তপুরে সাংবাদিকদের নিয়ে সিডিসি কোভিড-১৯ ও ডেঙ্গু প্রতিরোধ বিষয়ে সচেতনতা সম্পর্কিত কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১৩ জানুয়ারী দুপুর ১২টার দিকে শরীয়তপুর সিভিল সার্জনের সভাকক্ষে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের বাস্তবায়নে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। সিভিল সার্জন ডা: এসএম আব্দুল্লাহ আল মুরাদ এর সভাপতিত্বে এ সভায় রিসোর্সপার্সন ছিলেন শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা: মুনীর আহম্মেদ খান। প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার ডা: এসএম মাসুদ হাসান। সিনিয়র স্বাস্থ্য শিক্ষা অফিসার মো. মাহাবুবার রহমানের সঞ্চালনা জেলার কর্মরত সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
কর্মশালায় সিভিল সার্জন ডা: এসএম আব্দুল্লাহ আল মুরাদ জানান, বর্তমানে আমরা মহামারীর মধ্যে আছি। এরমধ্যে অন্যতম কোভিড-১৯ ও ডেঙ্গু। এ পর্যন্ত জেলায় ৯ হাজার ৩৩৫ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। ৯ হাজার ২৬০ জনের নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট হাতে পেয়েছে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ। জেলায় করোনায় আক্রান্ত ১ হাজার ৮৮৮ জন। করোনা ভাইরাসে এ জেলায় ২৩ জন মারা গেছেন। এরা শরীয়তপুরের ঠিকানা ব্যবহার করেছেন। কিন্তু তারা ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলা থেকে আক্রান্ত হয়েছেন। আর জেলায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত ৯ জন। ৯ জনই সুস্থ হয়েছেন। সচেতনতা সম্পর্কিত কর্মশালায় জানানো হয়, করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) প্রতিরোধে প্রতিটি মানুষকে ঘরের বাইর হলে মাক্স ও হ্যান্ড স্যানেটাইজার ব্যবহার করতে হবে। স্বাস্থ্য বিভাগের নির্দেশ গুলো মানতে হবে। করোনা প্রতিরোধের মূল বিষয়টি হচ্ছে সচেতন হওয়া। তাই সকলকে সচেতন হতে হবে। আর ডেঙ্গুর ভাইরাস মানুষ থেকে মানুষের দেহে ছড়ায় মশার মাধ্যমে। মশাই এই রোগের একমাত্র বাহক। এডিস মশা বাসাবাড়ির টবে, ফ্রিজের পেছনে জমে থাকা পানি, এসির পানি, কমোডে আটকে থাকা পানি ইত্যাদিতে বংশবিস্তার করে। রাস্তার খানাখন্দ, পড়ে থাকা পুরোনো টায়ার, যেকোনো রকমের পাত্র, জেরিক্যান, মোট কথা যেখানে পানি কিছুদিন জমে থাকতে পারে, সেখানেই এদের বসবাস ও প্রজনন। যেহেতু মশাই এই রোগের একমাত্র বাহক, সুতরাং মশার আবাস ও প্রজনন ক্ষেত্র ধ্বংস করতে পারলেই এডিস নির্বংশ হবে।


error: দৈনিক হুংকারে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।