বৃহস্পতিবার, ৩রা ডিসেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ, ১৮ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ১৮ই রবিউস সানি, ১৪৪২ হিজরি
বৃহস্পতিবার, ৩রা ডিসেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

ইলিশের নিষিদ্ধ সময় পার করে জেলেরা নদীতে

ইলিশের নিষিদ্ধ সময় পার করে জেলেরা নদীতে
ইলিশ শিকারে নদীতে জেলেরা। ফাইল ফটো।

শরীয়তপুরের পদ্মা-মেঘনায় ইলিশ ধরার নিষেধাজ্ঞা শেষ হয়েছে গত মধ্যরাতে। ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুম রক্ষায় ১৪ অক্টোবর থেকে ৪ নভেম্বর পর্যন্ত ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়। ৪ অক্টোবর বুধবার রাত ১২টা ১ মিনিট থেকে পুনরায় ইলিশ শিকার শুরু হয়েছে।
এদিকে নদীতে যাওয়ার জন্য জেলার প্রায় ১১ হাজার জেলে শেষ সময়ে জাল বুনন, ট্রলার মেরামত ও পুরাতন জাল রিপু করতে গত ২২ দিন ব্যস্ত সময় পার করছেন। দীর্ঘ এ অলস সময় শেষে নিষেধাজ্ঞার শেষ মুহুর্তে আনন্দিত জেলে পল্লী। যদিও ইলিশের মৌসুম শেষ হয়েছে। এরপরেও গত কয়েক বছর শীতের সময় প্রচুর ইলিশ ধরা পড়ায় এবার যেন আগ্রহ অনেক বেড়ে গেছে জেলেদের।
অন্যদিকে জেলার ৪ উপজেলায় মা ইলিশ শিকার নিষেধাজ্ঞার ২২ দিনের জন্য প্রতিটি জেলে পরিবার ২০ কেজি করে চাল পেয়েছেন। যার ফলে অধিকাংশ জেলেই আইনমান্য করে মাছ ধরা থেকে বিরত রেখেছে নিজেদের। তারপরেও যারা আইন ভঙ্গ করছে স্থানীয় প্রশাসন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে।
জেলে মিজান দর্জি জানান, এ বছর ভরা মৌসুমে তেমন মাছ ধরা পড়েনি। আশা করি নিষেধাজ্ঞার পর ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ ধরা পড়বে। তখন মাছ ধরেই ঋণ পরিশোধ করতে পারবো। ঘুরে দাঁড়াতে পারবো। মাছ ধরা শুরু হলে সব জেলে নদীতে নেমে পরবে।
জেলা ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী জেলে সমিতির নেতা মো. হাবিব মাঝি জানান, সরকারের মা ইলিশ রক্ষা কার্যক্রমের ফলে নদীতে ইলিশের উৎপাদন অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই এবছর অধিকাংশ জেলেই আইন মান্য করেছে। বর্তমানে জেলেদের নৌকা-ট্রলার-জালসহ অনান্য সরাঞ্জম ইলিশ শিকারের জন্য প্রস্তুতির শেষ পর্যায়ে। আশা করছেন সামনের দিন গুলোতে ব্যাপক ইলিশ পাবেন।
জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বলেন, বুধবার থেকে ইলিশ শিকারে নিষেধাজ্ঞা উঠে যাচ্ছে। আশা করা হচ্ছে এবছর নিবিঘ্নে মা ইলিশ তাদের ডিম ছাড়তে সক্ষম হয়েছে। সরকারের ব্যাপক প্রচার প্রচারণার ফলে অধিকাংশ জেলেই ইলিশ শিকার থেকে বিরত ছিলো।


error: দৈনিক হুংকারে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।