শুক্রবার, ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ, ২০ মাঘ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ১১ রজব ১৪৪৪ হিজরি
শুক্রবার, ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ

আজ মধ্যরাত থেকে ২২ দিন ইলিশ ধরা নিষিদ্ধ

আজ মধ্যরাত থেকে ২২ দিন ইলিশ ধরা নিষিদ্ধ
আজ মধ্যরাত থেকে ২২ দিন ইলিশ ধরা নিষিদ্ধ

আজ মধ্যরাত থেকে আগামী ৪ নভেম্বর পর্যন্ত ২২ দিন ইলিশ ধরা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে ইলিশ আহরণ, পরিবহন, বিপণন ও মজুদ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা মৎস্য অধিদপ্তর।
জেলা মৎস্য অফিসার আবদুর রউফ জানান, মা ইলিশ রক্ষায় বিজ্ঞান ভিত্তিক প্রজনন সময় বিবেচনা নিয়ে আশ্বিন মাসের পূর্ণিমাকে ভিত্তি ধরে মৎস্য সংরক্ষণ আইন সংশোধন করে ইলিশ আহরণ নিষিদ্ধের এ সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। তিনি বলেন, বিশ্বের মোট উৎপাদিত ইলিশের ৮০ শতাংশের বেশি বাংলাদেশের নদ-নদী মোহনা ও সাগর থেকে আহরিত হয়। অন্যান্য বছরের চেয়ে অনেক সুন্দর ও বড় আকারের ইলিশ পাওয়া যাচ্ছে। ইলিশ এক সময় দুস্প্রাপ্য হয়ে যাচ্ছিল, এখন মানুষের হাতের নাগালে এসেছে। এ ধারা অব্যাহত রাখতে আমরা ১৪ অক্টোবর থেকে ৪ নভেম্বর পর্যন্ত ২২ দিন মা ইলিশ ধরা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করেছি। আমরা সম্মিলিত ভাবে মা ইলিশ বা জাটকা ধরার সম্ভাবনা রয়েছে এমন এলাকা চিহ্নিত করেছি।
জেলা মৎস্য অফিসার বলেন, আমাদের ২০ হাজার লোক ইলিশ আহরণে সরাসরি নিয়োজিত এবং ৮০ থেকে ৮৫ হাজার লোক ইলিশ পরিবহন, বিক্রি, জাল ও নৌকা তৈরি, বরফ উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরণ, রপ্তানী ইত্যাদি কাজে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত। ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে ইলিশ আহরণ এবং জাটকা ধরার নিষিদ্ধ সময়ে জেলেদের জীবনধারণের জন্য ভিজিএফ খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে জাটকা ও ইলিশ সমৃদ্ধ এলাকায়।
শরীয়তপুর জেলায় এ বছর ১৯ হাজার জেলে পরিবারের মাঝে মাথা পিছু ২০ কেজি করে ৩৮০ মেট্রিকটন চাউল বিতরণ করা হবে। তাই মা ইলিশ রক্ষায় জেলে, আড়তদার, পাইকার সহ সকল শ্রেণী পেশার মানুষের সহযোগিতা কামনা করছি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

দৈনিক হুংকারে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।


error: দৈনিক হুংকারে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।