শনিবার, ২৮শে নভেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ, ১৩ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ১৩ই রবিউস সানি, ১৪৪২ হিজরি
শনিবার, ২৮শে নভেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

শরীয়তপুরে সড়কের জমি দখলের হিড়িক

শরীয়তপুরে সড়কের জমি দখল ঘর নির্মাণ করছেন এক শ্রেণীর দখলদার। ছবি-দৈনিক হুংকার।

শরীয়তপুর সড়ক ও জনপথ বিভাগের জমি দখলের হিড়িক পড়েছে। সড়কের জমি রক্ষায় পদক্ষেপ গ্রহন করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। ইতোমধ্যে মোংলা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের আংগারিয়া-মনোহর বাজার বাইপাস সড়কের পাশে অনেক জমি দখদারদের থেকে মুক্তকরণ কাজ শুরু হয়েছে।
সড়ক বিভাগ সূত্র জানায়, আংগারিয়া-মনোহর বাজার বাইপাস সড়কের হাজী শরীয়তুল্ল্যাহ কমপ্লেক্স এলাকায় সড়ক ও জনপথ বিভাগের জমি দখল করে একটি পক্ষ অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের কাজ শুরু করে। সড়ক বিভাগ সংবাদ পেয়ে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণে বাঁধা প্রদান করে। পরিমাপ করে সড়কের জায়গা সীমানা নির্ধারণ পরবর্তী মালিকানা জমিতে স্থাপনা নির্মাণ করতে কোন বাঁধা থাকবে না বলেও জানিয়েছেন সড়ক বিভাগ।
সরেজমিন পরিদর্শন কালে দেখা গেছে, কাশাভোগ এলাকার ছত্তর বেপারী সড়কের জমিতে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নির্মাণ করে ব্যবসা করছে। সড়কের পাশ^বর্তী জমিতে তার বোন ফয়জন্নেছা ও ভাগ্নে সেরা ঘরামী স্থাপনা নির্মাণের চেষ্টা করছে।
ছত্তর বেপারী বলেন, আমি যে দোকানে ব্যবসা করছি তা সড়ক বিভাগের জমি। নতুন করে যে স্থাপনা নির্মাণের কাজ চলছে তাও হয়তো সড়কের জায়গায় পড়েছে। পরিমাপ করে তা নির্ধারণ করতে হবে।
পাশ^বর্তী স্থাপনার মালিক মো. আয়াত আলী ওস্তাকার বলেন, আমি মালিকানা জমিতে স্থাপনা নির্মাণ করেছি। সড়ক ও জনপথ বিভাগের জমি দিয়ে পথ নেয়ার চেষ্টা কালে সড়ক বিভাগ বাঁধা দেয়। আমি থেমে যাই। আমার জমি ও সড়কের জমির মধ্যে মালিকানা কোন জমি নাই। কিছুদিন হল আমার স্থাপনা আড়াল করে সড়কে জমিতে ছত্তর বেপারী ও তার বোন-ভাগ্নে স্থাপনা নির্মাণ শুরু করে। সড়ক ও জনপথ বিভাগ সেই স্থাপনা নির্মানে বাঁধা দিয়ে কাজ বন্ধ করে দেয়।
সড়ক ও জনপথ বিভাগের সার্ভেয়ার মো. সিদ্দিকুর রহমান বলেন, সড়ক বিভাগের জমি দখল করে কতিপয় লোকেরা স্থাপনা নির্মাণ শুরু করে। আমরা বাঁধা দিয়ে কাজ বন্ধ রেখেছি এবং ওই লোকজনদের বলেছি জমি পরিমাপ করে সড়কের জমি রেখে মালিকানা জমিতে যেন তাদের স্থাপনা নির্মাণ করেন। তারা সড়ক বিভাগে জমি পরিমাপের জন্য আবেদন করলে জমি পরিমাপ করে সীমানা নির্ধারণ করা হবে। সড়কের জায়গায় কোন অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের সুযোগ নাই।


error: দৈনিক হুংকারে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।