মঙ্গলবার, ১লা ডিসেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ, ১৬ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ১৬ই রবিউস সানি, ১৪৪২ হিজরি
মঙ্গলবার, ১লা ডিসেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

গ্রাম বাংলার হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্য রক্ষায় কাজ করছে সরকার

শরীয়তপুর সদর উপজেলার মাহমুদপুর কীর্তিনাশা নদীতে বাংলার ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতা। ছবি-দৈনিক হুংকার।

——–ইকবাল হোসেন অপু এমপি

শরীয়তপুর সদর উপজেলার মাহমুদপুর কীর্তিনাশা নদীতে যুব সমাজের উদ্যোগে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ কালে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ইকবাল হোসেন অপু এমপি বলেছেন, বাংলাদেশের চিরায়ত লোক শিল্প ও ঐতিহ্য দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে। নৌকা বাইচ ও হাডুডু প্রতিযোগিতা এখন আর আমাদের দেশে হয়না বললেই চলে। জাতির জনকের কন্যা প্রধনমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাদের হারিয়ে যাওয়া গ্রামীন প্রতিযোগিতার আয়োজনের পাশাপাশি ঐতিহ্য রক্ষায় কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি ৪ সেপ্টেম্বর শুক্রবার সন্ধায় জেলার কীর্তিনাশা নদীর পাড়ে দামড়ারখাল এলাকায় একথা বলেন।
মাহমুদপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ শাহজাহান ঢালীর সভাপতিত্বে এসময় পালং মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আসলাম উদ্দিন, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর হোসেন, মাহমুদপুর সদর উপজেলা যুবলীগের সভাপতি বিল্লাল হোসেন দিপু সহ গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
নৌকাবাইচ দেখার জন্য শরীয়তপুর ও মাদারীপুর জেলার হাজার হাজার নারী-পুরুষের ঢল নামে কীর্তিনাশা নদীর দুই পাড়ে। নৌকাবাইচ শুরুর তিন ঘণ্টা আগে থেকেই মাহমুদপুর সেতুসহ নদীর তীর মানুষে পরিপূর্ণ হয়ে যায়। জায়গা সংকুলান না হওয়ায় ইঞ্জিন চালিত ট্রলার, বড় নৌকা, গাছ ও ভবনে ছাদে উঠে মানুষ নৌকাবাইচ উপভোগ করেন।
মাহমুদপুরের হাজি সোলায়মান খানের বাড়ির কাছ থেকে শুরু হয়ে দামড়ারখাল এলাকায় গিয়ে নৌকাবাইচ শেষ হয়। এসময় বাদ্যযন্ত্রের তালে তালে বৈঠার মন মাতানো শব্দের সঙ্গে উল্লাসে ফেটে পড়েন দর্শনার্থীরা। তারা নেচে-গেয়ে আনন্দ উল্লাস করে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচ উপভোগ করেন।
নৌকাবাইচ উদ্বোধন ও বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন শরীয়তপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য ইকবাল হোসেন অপু। প্রতিযোগিতায় শরীয়তপুর ও মাদারীপুর জেলার মোট ১০টি বাইচ নৌকা দু’টি গ্রুপে অংশ নেয়। বড় গ্রুপে প্রথম হয় শরীয়তপুর সদর উপজেলার সমিতিরহাট দল ও ছোট গ্রুপে প্রথম হয় মাদারীপুর জেলার খোয়াজপুর টেকেরহাট দল। বিজয়ী প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জনকারী দলকে যথাক্রমে ফ্রিজ ও এলইডি টিভি পুরস্কার দেওয়া হয়।


error: দৈনিক হুংকারে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।