মঙ্গলবার, ১লা ডিসেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ, ১৬ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ১৬ই রবিউস সানি, ১৪৪২ হিজরি
মঙ্গলবার, ১লা ডিসেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

আওয়ামীলীগের ফেষ্টুন বহনকারী আলী স্ত্রী-সন্তান নিয়ে রাস্তায়

সাহায্যের দাবীতে ফেষ্টুন হাতে মোঃ আলী ও তার পরিবার। ছবি-দৈনিক হুংকার।

আন্দোলন সংগ্রামে সুখে-দুঃখে আওয়ামী লীগ ও আওয়ামী লীগ সরকারের সকল রাজনৈতিক অনুষ্ঠানে টেকনাফ থেকে তেতুলিয়া পর্যন্ত পরিচিত ফেষ্টুন বহনকারী মো. আলী আজ স্ত্রী-সন্তান নিয়ে রাস্তায় অবস্থান করছে। অনাহারে অর্ধাহারে মানবেতর জীবন যাপন করছে পরিবার নিয়ে মাথাগোজার ঠাইও নাই মো. আলীর পরিবারের। জীবন যুদ্ধের এই সংকট মূহুর্তে দলের শীর্ষ নেতা সহ প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন মো. আলি ও তার পরিবার।
শরীয়তপুর সদর উপজেলার চিকন্দী ছোট সুন্দিপ গ্রামের করম আলী সরদারের ছেলে মোঃ আলী (৪০) রাজধানীর খিলগাঁও এলাকার একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। করোনাকালে আওয়ামী লীগের দলীয় সভা-সমাবেশ না থাকায় মো. আলীর জীবন-জীবিকা স্থবির হয়ে পড়ে। কয়েক মাসের বাসা ভাড়া বকেয়া রেখে শরীয়তপুর সদরের চিকন্দীতে চলে আসেন মো. আলী।
মো. আলী শনিবার সকালে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে চিকন্দী বাজারের একটি সড়কে অবস্থান করে তার মানবেতর জীবনের অভিজ্ঞতা এলাকাবাসীর সাথে ভাগাভাগি করেন। তখন তিনি বলেন, ‘শৈরাচার নিপাত যাক গণতন্ত্র মুক্তি পাক’ ‘শেখ হাসিনার সরকার বার বার দরকার’ বুকে-পিঠে লিখে আমি দেশের সকল জেলায় আওয়ামী লীগ দলীয় সভা-সমাবেশে উপস্থিত হইতাম। করোনা কালে দলীয় সভা-সমাবেশ বন্ধ হয়ে যায়। সেই সাথে আমারও রোজগার বন্ধ হয়ে গেছে। কয়েক মাসের বাসা ভাড়া বকেয়া পরে। আমি নিরুপায় হয়ে গ্রামের বাড়ি শরীয়তপুরের চিকন্দীতে ফিরে আসি। এখানে আমার মাথা গোজার ঠাই নাই। এখন খাবারের অভাবে মানবেতর জীবন যাপন করছি। আমি সংসদ সদস্য ইকবাল হোসেন অপু ভাই’র সাথে দেখা করেছি। আমাকে একটি ঘর দেয়ার ব্যবস্থা করবেন বলে তিনি আস্বস্ত করেছেন। এখন আমার মথাগোজার ঠাই ও খাদ্যের ব্যবস্থা হলে টিকে থাকতে পারব। পরে যখন দলীয় সভা-সমাবেশ শুরু হবে তখন আর সমস্যা থাকবে না। আমি দলের শীর্ষ পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সুদৃষ্টি কামনা করছি।
৭১-এর সহযোগী মুক্তিযোদ্ধা পরিষদ এর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান সরদার গোলাম মোস্তফা বলেন, মো. আলী তার ফেস্টুনের মাধ্যমে স্বাধীনতার বিরোধী শক্তির অপকর্ম জন সম্মুখে প্রকাশ করছে। করোনার কারনে ঘর ভাড়া পরিষদ করতে না পেরে ঢাকা ছেড়ে গ্রামে ফিরে এসেছে সে। এখন ফেস্টুন মো. আলীর মাথা গোজার কোন ঠাই নাই। স্ত্রী সন্তানের পেটে খাবার নাই। আজ স্ত্রী সন্তান নিয়ে মো. আলী রাস্তায় নেমেছে। সরকারের নীতি নির্ধারক নেতৃবৃন্দ ও প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আমার নিবেদন ফেষ্টুন বহনকারী মো. আলী ও তার পরিবারের প্রতি খেয়াল রাখার জন্য।


error: দৈনিক হুংকারে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।