বুধবার, ২রা ডিসেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ, ১৭ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ১৭ই রবিউস সানি, ১৪৪২ হিজরি
বুধবার, ২রা ডিসেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

শরীয়তপুর পৌরসভায় বন্যার পানি প্রবেশ, বেড়ে গেছে জনভোগান্তি

শরীয়তপুর পৌরসভায় বন্যার পানি প্রবেশ সাঁকো দিয়ে পাড়াপাড় হচ্ছে এলাকাবাসী। ছবি-দৈনিক হুংকার।

শরীয়তপুর পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় বন্যার পানি প্রবেশ করায় জনদূর্ভোগ বেড়েই চলছে। ডুবে গেছে পাড়া মহল্লার রাস্তা। বাঁশের তৈরী সাঁকোই এখন পৌরবাসীর প্রধান চলাচল মাধ্যম। জন দূর্ভোগ পরিদর্শন করছেন কাউন্সিলরগণ। পৌরবাসীর কল্যানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করবেন বলে জানিয়েছেন মেয়র।
সরেজমিন গিয়ে দেখা গেছে, শরীয়তপুর পৌরসভার ২, ৩, ৫ ও ৮ নং ওয়ার্ডের বেশীরভাগ এলাকায় পানি থৈথৈ। অনেক এলাকার সংযোগ রাস্তা ও রাস্তা থেকে বাড়িতে যাওয়ার পথ পানিতে তলিয়ে গেছে। বাঁশের সাঁকো দিয়ে সচল রাখা হয়েছে চলাচল ব্যবস্থা। গবাদি পশু নিয়েও বিপাকে পড়েছেন অনেকে। বর্ষার পানি মোকাবেলায় রাস্তাঘাট নির্মাণ ও মশা নিধন করার দাবী জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আব্দুর রশিদ সরদার জানিয়েছেন, বেশীরভাগ এলাকা বন্যার পানিতে প্লাবিত হয়েছে। ইতোমধ্যে তিনি পায়ে হেটে ৮ নং ওয়ার্ডের সব এলাকা ঘুরেছেন। স্থানীয়দের উদ্যোগে প্রায় ৩৫টি সাঁকো তৈরী করে যোগাযোগ সচল রাখা হয়েছে। এই ওয়ার্ডের ৮টি রাস্তা নির্মাণ করা সম্ভব হলে বন্যা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে। পানি অব্যাহত ভাবে বাড়তে থাকলে অনেকের ঘরবাড়ি তলিয়ে যাবে। পাশাপাশি ডোবা-নালার মধ্যে কচুরীপানা স্তুপ হয়ে আছে। সেখানে মশার বংশ বিস্তার হবে। সেখান থেকে ডেঙ্গু আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। করোনা কালে মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়েছে। তার ওপরে আবার বন্যার পানির প্রভাব। এই সময় ত্রাণ দিয়ে মানুষের পাশে থাকা দরকার। মেয়রের সাথে আলাপ করে বন্যা কবলিত মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণের চেষ্টা করব।
পৌর মেয়র মো. রফিকুল ইসলাম কোতোয়াল বলেন, বর্ষার পানিতে যে সকল এলাকায় রাস্তাঘাট প্লাবিত হয়েছে সেই সকল এলাকা চিহ্নিত করা হবে। পরবর্তীতে বন্যা নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতিতে রাস্তাঘাট করা হবে। বিশেষ করে বর্ষা কালে ডেঙ্গু মশার উপদ্রপ বেড়ে যায়। আমরা ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে কাজ করছি। আগামী বৃহস্পতিবার থেকে আনুষ্ঠানিক ভাবে ডে ঙ্গু নিধন কার্যক্রম পালং বাজার থেকে শুরু করব। পৌরসভা মানুষের সেবায় নিয়োজিত আছে। মানুষের সেবায় যখন যে পদক্ষেপ গ্রহন করা প্রয়োজন তাই করব।


error: দৈনিক হুংকারে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।