মঙ্গলবার, ১লা ডিসেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ, ১৬ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ১৬ই রবিউস সানি, ১৪৪২ হিজরি
মঙ্গলবার, ১লা ডিসেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

বর্ষার পানি বৃদ্ধির কারনে নরসিংহপুর ফেরীঘাটের যানবাহন পারাপর ব্যাহত

বর্ষার পানি বৃদ্ধির কারনে নরসিংহপুর ফেরীঘাটের যানবাহন পারাপর ব্যাহত

বর্ষার পানি অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধির ফলে জেলার ভেদরগঞ্জ উপজেলার চরসেন্সাস ইউনিয়নের নরসিংহপুর ফেরীঘাটের সংযোগ সড়ক ডুবে যাওয়ায় ফেরীঘাটের দুটি টার্মিনাল দিয়ে যানবাহন উঠানামা ব্যাহত হচ্ছে। প্রতিদিনই জোয়ারের সময় এ অবস্থা হচ্ছে।
গত কয়েক দিন ধরে জোয়ার চলাকালীন সময় প্রতিদিন ভোরে ৩ থেকে ৪ ঘন্টা এবং সন্ধ্যায় ৩ থেকে ৪ ঘন্টা যানবাহন উঠানামা বন্ধ থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে ঐ সড়ক দিয়ে চলাচল পরিবহন চালক ও যাত্রীদের। পারাপারের অপেক্ষায় ঘাটে উভয় পাশে আটকা পড়ে শত শত যানবাহন।
জানাগেছে, শরীয়তপুর-চাঁদপুর ফেরীঘাট দিয়ে প্রতিদিন দক্ষিন-পশ্চিমাঞ্চলের প্রায় ২২টি জেলার ৪শ থেকে ৫৮০ টি পর্যন্ত যানবাহন পারাপার হয়। এর মধ্যে মালবাহী ও যাত্রীবাহী যানবাহনের সংখ্যাই বেশী। কিন্তু বর্ষার কারনে গত শুক্রবার থেকে নদীতে পানি বেড়ে যাওয়ায় তিনদিন ধরে ঘাটের দুটি টার্মিনালের সংযোগ সড়ক ডুবে যাচ্ছে। ফলে প্রতিদিন সকাল ও বিকেলে প্রায় ৮ঘন্টা ফেরী থেকে গাড়ি ওঠানামা বন্ধ থাকছে।
শরীয়তপুর-চাঁদপুর ফেরীঘাট দায়িত্বরত বিআইডাব্লিউটিসি ম্যানেজার আব্দুল মমিন বলেন, টার্মিনালের সংযোগ সড়ক জোয়ারের পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় এখানে প্রতিদিন সকালে ও বিকেলে যানবাহন পারপার বন্ধ থাকছে। প্রায় ১শতাধিক গাড়ি পারাপারের অপেক্ষায় রয়েছে। ঘাটের দায়িত্ব মূলত বিআইডাব্লিউটিএর।আমরা তাদের সাথে সমন্বয়ে আগামীকাল রাস্তাটি উচু করার কাজ শুরু করা হবে।
মঙ্গরবার বিকলে শরীয়তপুর-চাঁদপুর ফেরীঘাটে গিয়ে দেখা যায়, টার্মিনালের সংযোগ সড়কটির উপরে কোমর পানি জমে আছে। নৌকা করে লোকজন টার্মিনালে উঠছে। কিন্তু জোয়ার শেষে পারাপারের অপেক্ষায় রয়েছে শত শত যাত্রীবাহী ও মালামালবাহী যানবাহন।
এ সময় পারাপারের অপেক্ষায় থাকা ভুক্তভোগী দিদার বাসের যাত্রী রবিউল ইসলাম নোমানী বলেন, রাস্তা পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় গাড়ি ফেরীতে তোলা যাচ্ছেনা। ফলে দীর্ঘক্ষন ধরে আমারা অপেক্ষায় আছি। দায়িত্বরতরা বলছে জোয়ার শেষে পারাপার শুরু হবে। সারাদিন গাড়িতে থেকে এখনে প্রায় ৪ ঘন্টা অপেক্ষা করতে হবে।
যশোহর থেকে আসা পন্যবাহী ট্রাক খুলনা (মেট্রো- ট- ১৯৭৮) এর চালক আয়নাল উদ্দিন বলেন প্রায় ৩ ঘন্টা ধরে আমি এখানে আছি।আমার মতো অনেকের গাড়িতে কাঁচামাল রয়েছে। আমরা সময় মতো পৌছুতে না পারলে মালিক বিশাল ক্ষতির মুখে পরবে।
এ বিষয়ে বিআইডাব্লিউটিএ চাঁদপুর জোনের নির্বাহী প্রকৌশলী আমজাদ হোসেন বলেন, উজান থেকে নেমে আসা পানির কারনে হটাৎ জোয়ারের পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় টার্মিনাল দুটির সংযোগ সড়ক ডুবে যায় আগামীকাল ইট বালি ফলে এ সমস্যাটি সমাধান করা হবে।


error: দৈনিক হুংকারে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।