শনিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ৯ আশ্বিন ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ২৭ সফর ১৪৪৪ হিজরি
শনিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২২ খ্রিস্টাব্দ

রাতের আঁধারে পদ্মায় স্টেশন বাজারে ১৫ প্রতিষ্ঠান বিলিন

রাতের আঁধারে পদ্মায় স্টেশন বাজারে ১৫ প্রতিষ্ঠান বিলিন

হুংকার রিপোর্টঃ আজ মঙ্গলবার ৭ জুলাই রাত ৪ টার দিকে শুরু হওয়া ২ য় দফায় পদ্মানদীর অব্যহত ভাঙ্গনে ভেদরগঞ্জ উপজেলার উত্তর তারাবুনিয়া চেয়ারম্যান ষ্টেশন বাজারের আরো ৬ প্রতিষ্ঠান নদী গর্ভে বিলিন হয়েছে। সরিয়ে নিতে হয়েছে ৮ টি দোকান। এর পূর্বে গত বুধবার দুপুরের ভাঙ্গনে ৫ দোকান নদীতে বিলিন হওয়াসহ ১৬ প্রতিষ্ঠান বিলিন হয়েছে। এনিয়ে গত ১ সপ্তাহে বাজারের ১১ প্রতিষ্ঠান বিলিনসহ ৩০ দোকান হারিয়ে গেছে।
স্থানীয় বাসিন্দা বোরহান সরকার বলেন,প্রতি বছরই পদ্মা আমাদের সহায় সম্বল কেড়ে নেয়। আমাদের স্কুল,মসজিদ,মাদ্রাসা বাড়ি ঘর ফসলি জমি প্রতি বছরই পদ্মা গ্রাস করে নেয়। গত বছর আমাদের পানি সম্পদ উপমন্ত্রী একেএম এনামুল হক শামীম ভাই নদীর দক্ষিণ তীর রক্ষায় প্রকল্প বাস্তবায়ন করায় গত বছর ভাঙ্গন বন্ধ ছিল। কিন্তু এবছর আবার ভাঙ্গন শুরু হয়েছে।এলাকাবাসি বাড়ি ঘর নিয়ে আতংকের মধ্যে আছে।
বাজারের ব্যাসায়ী আমান উল্যাহ মাঝি বলেন গত বুধবার ভাঙ্গন শুরু হওয়া একদিন পর শুক্রবার থেকে জিও ব্যাগ ফেলা শুরু করলে ভাঙ্গন কিছুটা স্তমিত হলেও আজ রাত থেকে আবার ভাঙ্গন শুরু হয়। ভাঙ্গনের মুখে পরে দেলু বেপারীর দোকান,মাঈনুদ্দি খার দোকান,সেরু দেওয়ানের দোকান,দিদার সরকারে দোকান,সুমন আসামী ও রশুআলী দোকান মালামার নদী বক্ষে তলিয়ে গেছে।
বাজারের মৎস্য আড়তদার হাবিব মাঝি বলেন,এনিয়ে আমাদের বাজার ৭ বারের ভাঙ্গনের কবলে পরলো। গত বছর আমাদের উপমন্ত্রী একেএম এনামুল হক শামীম ভাইয়ের সহযোগিতা জিও ব্যাগ ডাম্পিং করায় গত বছর ভাঙ্গন বন্ধ ছিল। এবছর নদীতে প্রবল স্রোত আর ঢেউয়ের কারনে গত এক সপ্তাহে উত্তর তারাবুনিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ষ্টেশন বাজারসহ ৩ টি স্থানে ব্যাপক ভাঙ্গন হয়েছে।
ভেদরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার তানভীর আল নাসীফ বলেন আমি তারাবুনিয়ার ভাঙ্গন নিয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আহসান হাবিব সাহেবের সাথে কথা বলে জেনেছি জিও ব্যাগ ফেলে এ ভাঙ্গন রোধ করা সম্ভব নয়। এজন্য স্থায়ী প্রতিরোধ মুলক ব্যাবস্থা গ্রগন করতে হবে। এবিষয় আমি মাননীয় পানি সম্পদ উপমন্ত্রী একেএম এনামুল হক শামীম সাহেবকে অবহৃত করেছি। তারই পরামর্শে জিও ব্যাগ ফেলা চলমান রেখেছি। বর্ষার পানি বৃদ্ধির তীবারতা কমে আসলে স্থায়ী প্রতিরোধ ব্যবস্থা গ্রহন করবো।

সংবাদটি শেয়ার করুন

দৈনিক হুংকারে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।


error: দৈনিক হুংকারে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।