রবিবার, ১১ই এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ২৮শে চৈত্র, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২৯শে শাবান, ১৪৪২ হিজরি
রবিবার, ১১ই এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

চিকিৎসা সেবা দিয়ে যাচ্ছেন ডা: নাজিয়া

ডা: সৈয়দা শাহিনুর নাজিয়া। ছবি-দৈনিক হুংকার।

শরীয়তপুর সিভিল সার্জন অফিসের দায়িত্বরত মেডিকেল অফিসার ডা. সৈয়দা শাহিনুর নাজিয়া। তিনি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত মানুষের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য আইইডিসিআরে পাঠাতেন। তার নিজের নমুনা সংগ্রহ করেও তিনি তার পরীক্ষার জন্য পাঠিয়ে ছিলেন। নমুনা পরীক্ষার ফল হাতে পেয়ে গত ১০ জুন জানতে পারেন তিনি করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। দীর্ঘ ৮ দিন হোম কোয়ারিন্টিনে থেকে ১৮ জুন তিনি পুনরায় নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠায়। সেই নমুনা পরীক্ষায়ও করোনা ভাইরাস পজেটিভ এসেছে। নতুন করে আর কোন নমুনা পরীক্ষা না করে ১৮ দিন হোম কোয়ারিন্টিনে থেকে ২৮ জুন তিনি এবার কর্মস্থলে যোগদান করেছেন। প্রাইভেট ক্লিনিকেও রোগী দেখছেন হরদম। এবার ডা. সৈয়দা শাহিনুর নাজিয়ার মুখ থেকে তার তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা শুনব।
ডা. সৈয়দা শাহিনুর নাজিয়া বলেন, আমি সিভিল সার্জন অফিসে দায়িত্বরত মেডিকেল অফিসার। সিভিল সার্জন মহোদয়ের নির্দেশে আমি করোনা আক্রান্ত রোগীর নমুনা সংগ্রহ করতাম। করোনা পজেটিভ রোগীর চিকিৎসা প্রদান করতাম। পরবর্তীতে নড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের রাজিব নামের একজন চিকিৎসকের করোনা পজেটিভ আসে। আমি তার সংস্পর্শে ছিলাম। মনে হল আমার করোনা ভাইরাস নমুনা পরীক্ষা করা দরকার। তখন পরীক্ষার জন্য নমুনা প্রদান করি। ১০ জুন রিপোর্ট হাতে পেয়ে দেখি আমার করোনা পজেটিভ এসেছে। তখন আমি হোম কোয়ারিন্টিনে চলে যাই। আমি শারীরিক ও মানসিক ভাবে পুরোপুরি সুস্থ ছিলাম। পরে ১৮ জুন পুনরায় নমুনা দেই। সেই নমুনা পরীক্ষায়ও করোনা পজেটিভ আসে। কোন প্রকার করোনা ভাইরাসের উপসর্গ ছাড়া আমার কোয়ারিন্টিনে থাকতে একদম ভালো লাগছিল না। পরে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনা অনুসরণ করে তৃতীয়বার নমুনা পরীক্ষা ছাড়াই ২৮ জুন কর্মস্থলে যোগদান করেছি। করোনা রোগীর চিকিৎসার পাশাপাশি ব্যক্তিগত চেম্বারেও রোগীর চিকিৎসা প্রদান করি।


error: দৈনিক হুংকারে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।