মঙ্গলবার, ১লা ডিসেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ, ১৬ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ১৬ই রবিউস সানি, ১৪৪২ হিজরি
মঙ্গলবার, ১লা ডিসেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

চেয়ারম্যান আনোয়ারের মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করছেন আংগারিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন হাওলাদার। ছবি-দৈনিক হুংকার।

শরীয়তপুর সদর উপজেলার আংগারিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন হাওলাদারের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবীতে সংবাদিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২২ জুন সোমবার সকাল ১০টায় আংগারিয়া ইউনিয়ন পরিষদ সম্মেলন কক্ষে ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগন এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত সাংবাদিকদের সামনে চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন হাওলাদার তার বক্তব্য তুলে ধরেন। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের কীর্তিনাশা নদী থেকে দাদপুর সিনিয়র মাদরাসা হয়ে তুলাতলা কাটাখালি খাল পর্যন্ত পানি উন্নয়ন বোর্ড খাল খণনের জন্য ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান শহীদ ব্রাদার্সকে নিয়োগ করে। ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানটি স্থানীয় এক প্রভাবশালী পরিবারের সদস্য মামুন মোল্যাকে উপ-ঠিকাদার হিসেবে নিয়োগ করে। মামুন আবার স্থানীয় আরেক প্রভাবশালী মজিবর সরদারের কাছে খালের মাটি বিক্রি করে। সেই মাটি বহন কালে মাহেন্দ্রা ও ট্রাক দিয়ে স্থানীয় কৃষকদের জমি নষ্ট করতে থাকে মজিবর সরদারের লোকজন। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক লিখিত ভাবে বিষয়টি আমাকে জানায়। আমি উপজেলা নির্বাহী অফিসার, পুলিশ সুপার ও জেলা প্রশাসককে বিষয়টি অবগত করি। এদিকে মামুন আমার বিরুদ্ধে থানায় মিথ্যা চাঁদাবাজি মামলা করে দেয়। পুলিশ ১ মাসের মধ্যে চার্জশীট দিয়ে আমাকে গ্রেফতার করে হাজতে পাঠায়।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, মামলার বাদী মামুনের সাথে আমার সামাজিক, পারিবারিক বা জমিজমা নিয়ে কোন বিরোধ নাই। শুধুমাত্র রাজনৈতিক প্রতিহংসার কারণে এই চাঁদাবাজী মামলা করেছে। আমি কোন চাঁদা দাবী করি নাই। বরং বাদী মামুন ও প্রভাবশালী মজিবর সরদার নিরীহ কৃষকদের জমি-বসত বাড়ি ও গাছপালা কেটে ফেলার ভয়ভীতি দেখিয়ে লাখ লাখ টাকা চাঁদাবাজি করেছে। এই মিথ্যা মামলায় আমি ২১ দিন হাজতে ছিলাম। এতে এলাকায় আমার মান-সম্মান ক্ষুন্ন হয়েছে। বিষয়টি পুনঃতদন্ত করলে এই রহস্যের আসল রহস্য উদঘাটন হবে বলে আমি আশা করছি। প্রশাসনের প্রতি আমার আবেদন মামলাটি সঠিক ভাবে পুনঃতদন্ত করে রহস্য উদঘাটন করবেন। তাহলে আমি, মামলার অন্যান্য আসামী ও আমার ইউনিয়নবাসীর মিথ্যা মামলার দায়মুক্ত হব।
সংবাদ সম্মেলনে ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতি আবু সিদ্দিক সরদার, ৬ নং ওয়ার্ড মেম্বার বাবুল সরদার, ৯ নং ওয়ার্ড মেম্বার আকিবর খান, যুবলীগ সহ-সভাপতি সাইদুর রহমান হাওলাদার, ইউনিয়ন যুবলীগ সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।


error: দৈনিক হুংকারে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।