শনিবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ১৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ৮ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪ হিজরি
শনিবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২২ খ্রিস্টাব্দ

শরীয়তপুরে সাজেদা ফাউন্ডেশন উত্তরণ অবহিতকরণ সভা

শরীয়তপুরে সাজেদা ফাউন্ডেশন উত্তরণ অবহিতকরণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখছেন জেলা প্রশাসক মো: পারভেজ হাসান। ছবি-দৈনিক হুংকার।

সাজেদা ফাউন্ডেশন একটি বেসরকারি সেবামূলক সংস্থা। উত্তরণ কর্মসূচির মাধ্যমে এই ফাউন্ডেশন অতিদরিদ্র জনগোষ্টির টেকসই উন্নয়নের জন্য চিকিৎসা সেবা ও জীবীকায়নের মাধ্যমে একটি নতুন প্রকল্প শুরু করতে যাচ্ছে। যার ফলশ্রতিতে শরীয়তপুরে সাজেদা ফাউন্ডেশন ‘উত্তরণ’ কর্মসূচি নিয়ে একটি অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (৮ নভেম্বর) দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মো: পারভেজ হাসান। সভায় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ তালুত, সাজেদা ফাউন্ডেশন এর কর্মসূচী প্রধান ডাক্তার আরিফুল হক, কর্মসূচী ব্যবস্থাপক চৌধুরী মোহাম্মদ ফাহিম রাগিব, অপারেশন ম্যানেজার মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন, জোনাল ম্যানেজার মোঃ আনিছুজ্জামান সহ শরীয়তপুরে কর্মরত সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাগণ ও বিভিন্ন এনজিও প্রতিনিধিগণ।
সভায় সরকারি পর্যায়ে সাজেদা ফাউন্ডেশন উত্তরণ কর্মসূচীর আওতায় মানবসেবামূলক কর্মকান্ড সাধারণ মানুষ কে অবহিত করার লক্ষ্যে এই অবহিতকরণ সভার আয়োজন করা হয়।
দেশের ছয়টি জেলায় উত্তরণ কর্মসূচীর মাধ্যমে সরকারের পাশাপাশি হতদরিদ্র মানুষকে স্বাবলম্বি করণ সহ উপকার ভোগীদের স্বাস্থ্য সেবা প্রদানে কাজ শুরু করেছে সাজেদা ফাউন্ডেশন। জেলার ৪ উপজেলায় ৮টি শাখা অফিসের মাধ্যমে ২ হাজার সদস্যকে সুবিধা প্রদানের লক্ষ্যে এই সেবা চালু করা হচ্ছে।
সভায় মানব সেবা নিশ্চিতে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা প্রদান করেন জেলা প্রশাসক মো. পারভেজ হাসান বলেন, জিও আর এনজিওর মধ্যে কোন পার্থক্য নেই। উভয়ের লক্ষ্যবিন্দু একই। উপজেলা পর্যায়ে একজন নির্বাহী অফিসার কাজ করে। তার সকল জায়গায় বিচরণ সম্ভবনা। আর এনজিও গুলোর মাঠ পর্যায়ে বিচরণ থাকায় মানুষের কাছে যাওয়ার সুযোগ বেশী। মানুষের সমস্যাও তারা বেশী চিহ্নিত করতে পারে। সাজেদা ফাউন্ডেশন একটি এনজিও। হতদরিদ্র মানুষদের নিয়ে তারা কাজ করবেন। তারা বিনা সুদে ঋণ ও স্বাস্থ্য সেবা দিয়ে মানুষের পাশে থাকবেন। একজন দরিদ্র মানুষ সরকারি হাসপাতালে গিয়ে ৫ টাকার বিনিময়ে চিকিৎসা সেবা পেতে পারে। তার যদি ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত বীমা সুবিধা পাওয়ার সুযোগ থাকে আর ২ বছর পর যদি সেই সেবা বন্ধ হয়ে যায় তাহলে লোকটি হতাশ হয়ে যাবে। তাই সেই দরিদ্র পরিবারটিকে এমন ভাবে সংগঠিত করবেন যেন ২ বছর পরে এনজিও সেবা না পেলেও হতাশ হতে না হয়। মাঠ পর্যায়ে কাজ করতে গিয়ে যদি আমাদের সহায়তা প্রয়োজন হয় তাহলে আমরা পাশে থাকব।
তিনি আরো বলেন, আপনারা যদি ২০০ পরিবার নিয়ে কাজ করেন তাহলে প্রতিটি পরিবারকেই প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করবেন। একটি পরিবারকে প্রতিষ্ঠিত করে গল্প তৈরী করবে না। গল্প তৈরী করতে হলে প্রতিটি পরিবারের সফলতার গল্প তৈরী করবেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

দৈনিক হুংকারে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।


error: দৈনিক হুংকারে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।