শনিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ৯ আশ্বিন ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ২৭ সফর ১৪৪৪ হিজরি
শনিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২২ খ্রিস্টাব্দ

শরীয়তপুরে অভিনব পদ্ধতিতে চুরি

শরীয়তপুরে অভিনব পদ্ধতিতে চুরি
এই দোকানে অভিনব পদ্ধতিতে চুরি হয়েছে। ছবি-দৈনিক হুংকার।

শরীয়তপুর জেলা সদরের প্রাণ কেন্দ্রের একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অভিনব পদ্ধতিতে চুরি করেছে একটি সংঘবদ্ধ চোর চক্র। গত ৯ সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে ৮টায় প্রকাশ্য দিবালোকে এই ঘটনা ঘটিয়ে পালিয়ে যায় তারা। চুরির পরিকল্পনা, চুরির ঘটনা ও চোর চক্রের প্রতিটি সদস্যের উপস্থিতিতি এবং কর্মকান্ড সিসিটিভি ক্যামেরায় দেখা গেছে। সকল তথ্য উপাত্তসহ পালং মডেল থানায় সাধারণ ডাইরী করা হয়েছে।
লিখিত অভিযোগ থেকে জানা গেছে, ‘বাবার দোয়া স্টোর’ নামে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান জেলা শহরের ঋষি পাড়া এলাকার এসডিএস শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সামানে অবস্থিত। সেখানে স্টোশনারী পণ্য, বিকাশসহ শিশু খাদ্য বিক্রি করা হয়। ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিক আজিম উদ্দিন একাই ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করেন। প্রতিদিনের ন্যায় সে সকাল সোয়া ৮টার দিকে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুলে। সেই দিনও সে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুলে ভিতরে প্রবেশ করে। সাথে সাথে চোর চক্রের একজন সিগারেট নেয় এবং অপর জন মোবাইল ব্যালেন্স রিচার্জ করে। সেই সময় দোকানের ভিতরে পায়খানার গন্ধ। দোকানী বের হয়ে দেখেন তার দোকানের সাটারের সাথে কেউ পায়খানা রেপ্টে দিয়েছে। পায়খানা পরিস্কার করার জন্য সে পানি আনতে গেলে দোকানের ভিতর থেকে ৩ লাখ ১৯ হাজার টাকাসহ ব্যাগ চুরি করে নিয়ে যায়। তাৎক্ষণিক এসডিএস একাডেমির ও ম্যাগডোনাস চাইনিজ রেস্টুরেন্টের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ পরীক্ষা করা হয়। তখন দেখা যায়, সিগারেট ও মোবাইলে রিচার্জ নেওয়া দ্ইু ব্যক্তির সাথে আরো ৩ জন মিলে এই চোর চক্রের সদস্য। তারা পরিকল্পিত ভাবে চুরির ঘটনা ঘটিয়েছে। ভোরে প্রথমে একজন দোকানের সামনে পায়খানা করে অন্যজন হাতে পলেথিন পেটিয়ে সেই পায়খানা দোকানের সাটারে লেপ্টে দেয়। দোকানী যখন পায়খানা পরিস্কার করার জন্য পানি আনতে যায় তখন ৪ জন পাহারায় থাকে আর একজন দোকান থেকে টাকার ব্যাগ নিয়ে যায়।
দোকানি আজিম উদ্দিন জানায়, প্রাথমিক ভাবে চোরদের খোঁজাখুঁজি করি। না পেয়ে সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করি। পরে সেই ফুটেজ সহ পালং মডেল থানায় অভিযোগ করি। আজ পর্যন্ত পুলিশ কোন চোর সদস্য গ্রেফতার বা চোরাই মালামাল উদ্ধার করতে পারেনি।
পালং মডেল থানা অফিসার ইনচার্জ মো. আক্তার হোসেন বলেন, এই বিষয়ে অভিযোগ পেয়েছি। সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে আসামী গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

দৈনিক হুংকারে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।


error: দৈনিক হুংকারে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।