শুক্রবার, ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ, ২০ মাঘ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ১১ রজব ১৪৪৪ হিজরি
শুক্রবার, ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ

প্রধান শিক্ষক সুজিত কর্মকারের বিরুদ্ধে ডামুড্যা থানায় জিডি

প্রধান শিক্ষক সুজিত কর্মকারের বিরুদ্ধে ডামুড্যা থানায় জিডি
প্রধান শিক্ষক সুজিত কর্মকার। ছবি-সংগৃহিত।

দুই সাংবাদিককে হত্যার হুমকির দায়ে ডামুড্যার আলোচিত ভাইরাল প্রধান শিক্ষক “সুজিত কর্মকারের বিরুদ্ধে থানায় জিডি করা হয়েছে।
শুক্রবার ভুক্তভোগী সাংবাদিক আশিকুর রহমান ডামুড্যা থানায় এ জিডি করেন, যার নং ৬৬৪।এজাহার সুত্রে জানা যায়, ডামুড্যা পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের এক শিক্ষক ও ৭ম শ্রেনীর শিক্ষার্থীর একটি ফোনালাপ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম (ফেসবুকে) ভাইরাল হয়। এ বিষয় ১৬ আগষ্ট বিকালে স্থানীয় দুই সাংবাদিক পেশাগত দায়িত্ব পালনের জন্য তথ্য সংগ্রহ করতে ঐ স্কুলে যান। এ সময় সাংবাদিকদ্বয় স্কুলের প্রধান শিক্ষকের কাছে অডিও ভাইরালের বিষয় জানতে চাইলে তিনি তথ্য না দিয়ে উল্টো সাংবাদিককে সংবাদ প্রকাশ না করার জন্য অনুরোধ করেন।
তিনি বলেন, আমরা শিক্ষক ও স্কুল ম্যানেজিং কমিটি বসে আগামীকাল বিষয়টা সমাধান করবো। আপনারা চলে যান। প্রধান শিক্ষকের প্রতি শ্রদ্ধা প্রর্দশন সাংবাদিকরা চলে আসে। পরে রাত ৭:০০ টার সময় প্রধান শিক্ষক সুজিত সাংবাদিক শাহাদাত হোসেনকে কল দিয়ে হত্যার হুমকি এবং অকথ্য ভাষায় গালি গালাজ করে ফোনটি কেটে দেয়। পরে ঐ দুই সাংবাদিককে রাত ১০:৩০ মিনিটে প্রধানশিক্ষক কল দিয়ে একাধিকার বার হাতপা ভেঙ্গে ফেলার ও দেখে নেওয়ার হুমকি দেয়।
এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী সাংবাদিক আশিকুর রহমান জানায়, আমরা জনগনের কথা গণমাধ্যমে প্রকাশ করি। তবে শিক্ষক হয়ে তিনি একজন মানুষের সাথে এইরকম ভাষায় কথা বলতে পারেনা। আমাকে ও আমার সহকর্মী শাহাদাত হোসেন হিরুকে হত্যার হুমকি দিয়েছে।আমরা জিবন ঝুঁকিতে আছি। তাই ভয়ে আমি ডামুড্যা থানায় জিডি করেছি। আমরা ন্যায় বিচার চাই।
শরীয়তপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি ও জেলা আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক অনল কুমার দে বলেন, আমি এ ঘটনার তিব্র নিন্দা জানাই। প্রশাসনের কাছে ঐ দোষী ব্যক্তির উপযুক্ত শাস্তি দাবি জানাই।
ডামুড্যা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শরিফ আহম্মেদ বলেন, এই বিষয় নিয়ে সাংবাদিক আশিকুর রহমান থানায় এসে ঐ প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে জিডি করেছেন। আমরা সঠিকভাবে তদন্ত করে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নিবো।

সংবাদটি শেয়ার করুন

দৈনিক হুংকারে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।


error: দৈনিক হুংকারে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।