রবিবার, ২৯ জানুয়ারি ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ, ১৫ মাঘ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ৬ রজব ১৪৪৪ হিজরি
রবিবার, ২৯ জানুয়ারি ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ

সফল ভাবে হজ্বব্রত পালন করে ১৭৬ যাত্রী নিয়ে ফিরে এসেছেন দৈনিক হুংকারের সম্পাদক

সফল ভাবে হজ্বব্রত পালন করে ১৭৬ যাত্রী নিয়ে ফিরে এসেছেন দৈনিক হুংকারের সম্পাদক
পবিত্র কাবাশরীফ। ছবি-সংগৃহিত।

পবিত্র হজ্বব্রত পালন শেষে ১৭৬ জন হজ্ব যাত্রী নিয়ে সফল ভাবে দেশে ফিরে এসেছেন দৈনিক হুংকার সম্পাদক ও সাকিব এভিয়েশনের স্বত্বাধিকারী আলহাজ্ব মোঃ হাবিবুর রহমান হাবীব।
২০২২ সালে ১৭৬ জন হাজী সাহেবকে নিয়ে গত ৪ আগস্ট শান্তিপুর্ণ ভাবে দেশে প্রত্যাবর্তনের মধ্যদিয়ে হজ্ব সেবার এ প্রতিষ্ঠানটি তার কাফেলার ২৩ তম বর্ষ উৎযাপন করেছে।
এর পূর্বে বিগত ২২ বছর যাবৎ দেশের হাজি সাহেবদের মানসম্মত সেবা প্রদান করে আসছে সাকিব এভিয়েশন। ২০২০ ও ২০২১ সালে করোনার কারণে সারা পৃথিবীর সাথে বাংলাদেশের জন্য হজ্ব পালন বন্ধ ছিল। মহান সৃষ্টি কর্তা রাব্বুল আলআমিন এর অপার কৃপায় ২ বছর পরে চলতি বছরে নানান জটিলতা ও চড়াই উৎরাই পেরিয়ে আল্লাহর মেহমান ১৭৬ জন হাজি সাহেবকে নিয়ে পবিত্র হজ্বব্রত পালন করে সবাই সুস্থ ও স্বাভাবিক ভাবে দেশে প্রত্যাবর্তন করেছেন। বরাবরের ন্যায় এবারও সেবার মানে সন্তুষ্ট সাকিব এভিয়েশনের সাথে হজ্ব পালনকারি হাজি সাহেবগণ।
এ বছর সাকিব এভিয়েশন এর মাধ্যমে পবিত্র হজ্ব আদায় করেছেন পাবনা জেলার বেড়া উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান ও শিক্ষক মাস্টার রেজাউল করিম তিনি বলেন, হজ্ব অনেক কষ্টের ও পরীক্ষার এবাদত। আমি মানসিক ভাবে আল্লাহর নিকট সাহায্য চেয়ে সাকিব এভিয়েশনের মাধ্যমে ২০২২ সালে পবিত্র হজ্ব পালন করি। আল্লাহর রহমতে যথেষ্ট সহযোগিতা ও আন্তরিকতা পেয়েছি। বিশেষ করে সাকিব এভিয়েশনের মালিক আলহাজ্ব মোঃ হাবিবুর রহমান সাহেব এর আন্তরিকতায় আমি সন্তুষ্ট। তাদের সেবার মান যথাযথ ও প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ছিল। খাবার, বাসস্থান ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা পরিদর্শনের পাশাপাশি হাবিব ভাই হজ্বের প্রতিটি আরকাম, আহকাম আমাদের প্রতি পালনের ব্যাপারে আন্তরিক সহযোগিতা করেছেন। আমি এবং আমার পরিবারের পক্ষ থেকে তার জন্য দোয়া করি।
এলজিইডি’র সাবেক অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী আলহাজ্ব আল্লাহ হাফিজ বলেন, আমি এবার নিয়ে তৃতীয় বারের মতো সাকিব এভিয়েশনের মাধ্যমে পবিত্র হজ্ব পালন করেছি। আমি এবং আমার পরিবারের অন্যান্য সদস্যরাও এবার পবিত্র হজ্ব পালনে গিয়েছিলাম। এই প্রতিষ্ঠানটির সেবার মান যথাযথ। প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী তারা সেবা প্রদান করেছে। খাবারের সাথে ফল-ফলাদি আমাদের দিয়েছেন। যা অন্য কোন এজেন্সি দিয়েছে বলে আমার জানা নেই। আমরা এই প্রতিষ্ঠানটির মাধ্যমে হজ্ব করতে পেরে আল্লাহর রহমতে সন্তুষ্ট। আমরা প্রতিষ্ঠান প্রধান হাবিব সাহেবের জন্য দোয়া করি। তিনি যেন আর উন্নত সেবা প্রদান করতে পারেন।
পাবনা জেলার ঈশ্বরদি উপজেলার সাবেক সমাজ সেবা কর্মকর্তা শাহজাহান আলী আজিবর বলেন, আমি ইতিপূর্বে আরো অন্যান্য এজেন্সির মাধ্যমে বেশ কয়েক বার হজ্ব পালন করেছি। সেই তুলানায় সাকিব এভিয়েশনের সেবার মান যথেষ্ট উন্নত ও মানসম্মত। বিশেষ করে সাকিব এভিয়েশনের মালিক আলহাজ্ব হাবিবুর রহমান সাহেব যে ভাবে প্রতি কক্ষে গিয়ে হাজী সাহেবদের খোঁজখবর নেন এটা আমি কল্পনাও করতে পারিনা। যে একজন এজেন্সির মালিক হয়ে প্রতিদিন তার শত ব্যস্ততার পরেও আল্লাহর মেহমানদের সেবায় নিজেকে বিলিয়ে দেন। আমি তার জন্য দুহাত তুলে দোয়া করি। আল্লাহ যেন তাকে দীর্ঘ হায়াত দান করেন। তিনি হাজী সাহেবদের সেবায় নিজেকে আরও বেশি উৎসর্গ করতে পারেন।
এলজিইডি সিলেট বিভাগী প্রধান প্রকৌশলী আলহাজ্ব মোঃ নজরুল ইসলাম বলেন, আমি আমার চাকুরী জীবনে বিভিন্ন দেশে যাওয়ার সুযোগ হয়েছে। এবার আমি আল্লাহর রহমতে হাবিব ভাইয়ের মাধ্যমে সাকিব এভিয়েশনের একজন হজ্ব যাত্রী ছিলাম। বিদেশের মাটিতে হাবিব সাহেব যেভাবে আমাদের সেবা করেছেন তা অতুলনীয়। আমরা বিশ্বাস করি তার এ সেবার মান ধরে রাখতে পারলে আল্লাহর রহমতে তিনি আরও অনেক দূর এগিয়ে যাবেন।
কমিল্লা জেলা ও দায়রা জজ মরিয়ম মুন মুঞ্জুরীর বড় বোন মালেকা মুন মুঞ্জুরী বলেন, আমার ছোট বোন শরীয়তপুরে কর্মরত থাকাবস্থায় সাকিব এভিয়েশনের মালিক হাবিব সাহেবের সাথে আমার পরিচয় হয়। এবার আমি ও আমার স্বামী ঢাকা দক্ষিন সিটি কর্পোরেশনের সাবেক প্রধান প্রকৌশলী এসএম আসাদুজ্জামান সাকিব এভিয়েশনের মাধ্যমে পবিত্র হজ্ব পালন করার সৌভাগ্য অর্জন করেছি। আল্লাহর অশেষ রহমত হজ্বের বিষয়ে যেভাবে আমরা কষ্টের কথা শুনে ছিলাম তার কোনটাই আমাদের স্পর্শ করতে পারেনি। সাকিব এভিয়েশনের মালিক আলহাজ্ব হাবিবুর রহমান এর মেধা দক্ষতার পরিচয় দিয়ে বাংলাদেশের হাজী ক্যাম্প থেকে শুরু করে হজ্বের প্রতিটি কার্যক্রম, সফলতার সাথে আদায়ত করতে সহায়তা করেছেন। আমরা তার জন্য প্রাণ খুলে আল্লাহর কাছে দোয়া করেছি। তিনি তার সেবার মান অব্যাহত রাখতে পারেন।
সাকিব এভিয়েশনের মালিক আলহাজ্ব মোঃ হাবিবুর রহমান বলেন, হাজি সাহেবগণ আল্লাহর মেহমান। সেই ভাগ্যবান মানুষ গুলোর সেবার জন্য ইমান ও আকিদাকে সামনে রেখে নিজের বিবেকের তাড়নায় এ কাজে মনোনিবেশ করি। ২০০০ সালে আমি প্রথম ৪ জন সাথী নিয়ে আমার কাফেলার যাত্রা শুরু করি। সেই যাত্রা থেকে শুরু করে আমাদের প্রতিষ্ঠান আজ পর্যন্ত হাজার হাজার হাজী সাহেবদের সেবা প্রধান করে আসছে। আপনি জেনে খুঁশি হবেন যে আল্লাহর অশেষ রহমতে এখন পর্যন্ত আমাদের প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে এখন পর্যন্ত প্রায় ৫শতাধিক হজ্ব গমন ইচ্ছুক ব্যক্তি তাদের প্রাক-নিবন্ধন করেছেন। আমি বিশ্বাস করি আল্লাহর রাজি খুঁশির জন্য আমার এ কাজ। মহান আল্লাহর মরমতে এখন পর্যন্ত প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী হাজী সাহেবদের সেবা দিতে সক্ষম হয়েছি। অষ্ট্রেলিয়া ও সৌদি আরবের মাল্টিপুল ভিসা থাকা সত্ত্বেও আল্লাহর মেহমান হাজী সাহেবদের খেদমতে নিজেকে আত্মনিয়োগ করেছি। এটাই আমার কাছে বড় পাওয়া। আমি আগামী দিনে আল্লাহর মেহমানদের যেন আরও উন্নত সেবা প্রদান করতে পারি তার জন্য সকলের দোয়া চাই।

সংবাদটি শেয়ার করুন

দৈনিক হুংকারে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।


error: দৈনিক হুংকারে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।