শনিবার, ২ জুলাই ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ১৮ আষাঢ় ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ২ জিলহজ ১৪৪৩ হিজরি
শনিবার, ২ জুলাই ২০২২ খ্রিস্টাব্দ

পদ্মা সেতু উদ্বোধনে শরীয়তপুরে ৩ দিনের কর্মসূচি গ্রহণ

Auto Draft
পদ্মার সেতুর উদ্বোধন উপলক্ষে প্রস্তুতি সভায় শরীয়তপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে উপস্থিত অতিথিবৃন্দ। ছবি-দৈনিক হুংকার।

স্বপ্নের পদ্মা সেতুর শুভ উদ্বোধন উপলক্ষে শরীয়তপুর জেলায় গৃহিত কর্মসূচি সুন্দর ও সফল বাস্তবায়নের লক্ষে প্রস্তুতি সভা করেছে শরীয়তপুর জেলা প্রশাসন। এ সভায় শরীয়তপুর জেলার ৩ জন সংসদ সদস্য ভাচ্যুয়ালি সংযুক্ত হন। এর মধ্যে পানি সম্পদ উপমন্ত্রী একেএম এনামুল হক শামীম এমপি বলেছেন, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বপ্ন জয়ের সাফল্য গাঁথা পদ্মা সেতুর উদ্বোধন হবে ২৫ জুন। এই উপলক্ষে শরীয়তপুর জেলার প্রতিটি মানুষ এখন আনন্দের জোয়ারে ভাসছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি অকৃত্রিম ভালবাসা ও সীমাহিন কৃতজ্ঞতায় তারা প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানাচ্ছে। এর পরে প্রধানমন্ত্রী শরীয়তপুর-চাঁদপুরের মেঘনায় সেতু নির্মাণের ভিত্তি প্রস্থর স্থাপন করবেন। সেই সাথে আগামী ডিসেম্বর মাসে তিনি শরীয়তপুর এসে শেখ হাসিনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শুভ উদ্বোধন করবেন। এ সময় উপমন্ত্রী জেলার বিভিন্ন শ্রেণির পেশার মানুষ যাতে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান পরবর্তী জনসভায় যোগদানের জন্য কৃষককে কৃষকের সাজে, শ্রমিক শ্রমিকের সাজে এমনি ভাবে স্বস্ব পেশার সাজে সজ্জিত হয়ে অংশগ্রহণ করার জন্য আহবান জানান।
অপর দিকে শরীয়তপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য ইকবাল হোসেন অপু বলেছেন, খড়স্রোতা পদ্মাকে হাতে এনে নেত্রী প্রমান করেছেন কোন ষড়যন্ত্র চক্রান্তই আর বাংলার মানুষকে দাবিয়ে রাখতে পারবেনা। তিনি বিশ্ব ব্যাংকের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু করে প্রমান করে দিয়েছেন বাঙালী জাতিকে দাবিয়ে রাখা যায়না। তিনি পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শুধু তিন দিন নয় বেশ কয়েক দিন করার জন্য জেলা প্রশাসনকে আহবান জানান।
শরীয়তপুর জেলার সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পারভীন হক সিকদার পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সার্বিক সহায়তার আশ্বাস দিয়ে বলেন, এটি শরীয়তপুরবাসীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ ও দীর্ঘদিনের আকাঙ্খার ফসল। স্বাধীনতার পর থেকে পদ্মার দক্ষিন পাড়ের মানুষ যে সেতুর স্বপ্ন দেখেছিল তারই বাস্তবায়ন করলেন বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশরত্ন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক বলেন, পদ্মা সেতু যেমন সারা বাংলাদেশের অহংকার এবং সবার সম্পদ। তেমনি শরীয়তপুরে পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানও সকল দলমত পদের বাহিরে থেকে সকলের অনুষ্ঠান। এ অনুষ্ঠানকে সুন্দর ও সার্থক করার জন্য শরীয়তপুরবাসীকে প্রতিটি অনুষ্ঠানে নিজ উদ্যোগে অংশ গ্রহণ করার জন্য আহবান জানান। যারা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও পদ্মা সেতুকে নিয়ে বাজে মন্তব্য করে তারাই জাতির কাছে পাগল হিসেবে পরিচিত হবে। পদ্মা সেতু আমাদের জাতির জন্য একটি অহংকারের বিষয়। এ সময় শরীয়তপুর জেলা প্রান্ত থেকে বক্তব্য রাখেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কলেজ এর অধ্যক্ষ মোঃ হারুন অর রশীদ, শরীয়তপুর জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক অনল কুমার দে, সিভিল সার্জন ডাঃ এসএম আবদুল্লাহ আল মুরাদ, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শামীম হোসেন রেজা, শরীয়তপুর পৌরসভা মেয়র পারভেজ রহমান জন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গোসাইরহাট সার্কেল) মোঃ সাঈদুর রহমান। এসময় উপস্থিত ছিলেন গোসাইরহাট উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান ঢালী, জাজিরা পৌরসভা মেয়র ইদ্রিস মাদবর, ডামুড্যা পৌরসভা মেয়র রেজাউল করিম রাজা। বক্তব্য রাখেন, মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সামাদ তালুকদার, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এ্যাড. জাহাঙ্গীর হোসেন, সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা, জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক নুহুন মাদবর। এসময় শরীয়তপুর জেলার সকল দপ্তর প্রধান, বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, এনজিও প্রতিনিধি, বিভিন্ন দাতা সংস্থার প্রতিনিধিগণ।

সংবাদটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

মন্তব্য

দৈনিক হুংকারে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।


error: দৈনিক হুংকারে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।