শনিবার, ২ জুলাই ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ১৮ আষাঢ় ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ২ জিলহজ ১৪৪৩ হিজরি
শনিবার, ২ জুলাই ২০২২ খ্রিস্টাব্দ

শরীয়তপুর সদর হাসপাতাল, বিনা চিকিৎসায় বাড়ি ফিরল ১০৫ শিশু রোগি

ডাক্তারের অপেক্ষায় শিশু সন্তান নিয়ে হাসপাতালের বারান্দায় বসে আছেন এক মা। ছবি-দৈনিক হুংকার।

বুধবার (১১ মে) সকাল থেকে ৬ ঘন্টা অপেক্ষা করে শরীয়তপুর সদর হাসপাতাল থেকে বিনা চিকিৎসায় ১০৫ জন শিশু রোগি বাড়ি ফিরতে বাধ্য হয়েছে। হাসপাতালের জুনিয়র কনসালটেন্ট (শিশু) ডা. রাজেশ মজুমদার বিনাছুটিতে হাসপাতালে অনুপস্থিত থাকায় এই পরিস্থিতির শিকার হয় শিশু রোগিরা।
সদর হাসপাতাল থেকে জানাগেছে, ১০০ শয্যার এই হাসপাতালে শিশু চিকিৎসক হিসেবে ডা. রাজেশ মজুমদার দায়িত্ব পালন করে আসছে। গত ৯ মে সোমবার থেকে একই বিভাগে ডা. মিজানুর রহমান যোগদান করে ছুটিতে চলে যায়। ডা. মিজানুর রহমান ছুটি থেকে না ফেরা পর্যন্ত ডা. রাজেশ মজুমদার দায়িত্ব পালন করবে মর্মে সিদ্ধান্ত হয়। হাসপাতাল বহির্বিভাগের টিকিট কাউন্টার থেকে নতুন ৯২ ও পুরাতন ১৩ শিশু রোগীর টিকেট সরবরাহ করে। টিকেট হাতে রোগিরা ডাক্তারের কক্ষের সামনে ৬ ঘন্টা অপেক্ষা করেও ডাক্তারের দেখা পায়নি। ডাক্তারের কক্ষের সামনে বসে থাকা ব্যক্তিগত নারীকর্মী জানায় স্যার এখনও আসেনি তবে কখন আসবে তাও তার জানা নাই।
মাইমুনা নামের ৫ মাস বয়সি শিশুকে নিয়ে হাসপাতালে ডাক্তারের জন্য অপেক্ষা করা মা পলি আক্তার জানায়, তিনি অসুস্থ মেয়েকে নিয়ে সূর্য্যমনির কাচিকাটা গ্রাম থেকে এসে ডাক্তারের জন্য সকাল থেকে অপেক্ষা করছে। এখনও ডাক্তারের দেখা পায়নি সে।
এই বিষয়ে কথা বলার জন্য ডা. রাজেশ মজুমদারের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করেও কোন সাড়া পাওয়া যায়নি।
সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আব্দুস সোবাহান বলেন, শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. মিজানুর রহমান ২ দিন পূর্বে যোগদান করে। ডা. মিজানুর রহমান ডা. রাজেশ মজুমদারের সাথে আলাপ করে ছুটিতে যায়। ডা. মিজানুর রহমান ছুটি থেকে না ফেরা পর্যন্ত ডা. রাজেশ মজুমদার হাসপাতালের বহির্বিভাগে রোগি দেখার দায়িত্ব নেয়। আজ সকাল থেকে শিশু রোগি হাসপাতালে ভীড় জমায়। কিন্তু কোন ছুটি বা অনুমতি ছাড়া ডা. রাজেশ মজুমদার অনুপস্থিত রয়েছে। এতে রোগির ভোগান্তি হয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

মন্তব্য

দৈনিক হুংকারে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।


error: দৈনিক হুংকারে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।