শনিবার, ২ জুলাই ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ১৮ আষাঢ় ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ২ জিলহজ ১৪৪৩ হিজরি
শনিবার, ২ জুলাই ২০২২ খ্রিস্টাব্দ

শরীয়তপুরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে নিহত-১ আহত ২০

শরীয়তপুরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে নিহত-১ আহত ২০

শরীয়তপুরের চিতলিয়ায় পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ শেষে দুই পক্ষের সংঘর্ষে ১ জন নিহত ও ২০ জন আহত হয়েছে।
শরীয়তপুর সদর উপজেলার চিতলিয়া ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের মজুমদার কান্দি গ্রামের ইউনিয়ন পরিষদ মসজিদে এ সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে কুদ্দুস বেপারী (৭৫) নামে এক বৃদ্ধ নিহত ও উভয় পক্ষের ২০ জন আহত হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে নয়টার দিকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ শেষে সৈয়দ হাওলাদার এবং ইমাম হোসেন এর সাথে হাতাহাতি জেরে এ সংর্ঘষের সূত্রপাত। পরবর্তীতে এ মারামারি চিতলিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সালাম হাওলাদার ও চেয়ারম্যান প্রার্থী হারুন হাওলাদার গ্রুপের মধ্যে ছড়িয়ে পরে ব্যাপক আকার ধারণ করে। এ সংঘর্ষের শিকার হয়ে কুদ্দুস বেপারী (৭৫) নিহত হয়। উভয় গ্রুপের কমপক্ষে ২০ জন আহত হয়।
সংঘর্ষের সংবাদ পেয়ে পালং মডেল থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে পুলিশ স্থানীয়দের সহযোগিতায় আহতদেরকে উদ্ধার করে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠায়।
আহতদের মধ্যে বৃদ্ধ কুদ্দুস বেপারী (৭৫) মৃত্যু বরণ করে। গুরুতর আহতদের মধ্যে সৈয়দ হাওলাদার ও জয়নাল বেপারীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা পাঠিয়েছে। বাকিরা শরীয়তপুর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে।
চিতলিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সালাম হাওলাদার জানান, চিতলিয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর থেকে হারুন হাওলাদার আমাদের সাথে পায়ে পাড়া দিয়ে ঝগড়ার চেষ্টা করে আসছে। এই বিষয়টি পালং মডেল থানার ওসিকে জানিয়েছিলাম।
তিনি আরও বলেন, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি আমার দাবি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রকৃত দোষীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করেন।
হারুন হাওলাদার ওরফে হারুন মাস্টার বলেন, এ ঘটনা সম্পর্কে আমি কিছুই জানিনা। সালাম হাওলাদারের লোকজন আমাদের সাথে মারামারি করবে এমন একটি ঘটনা শুনে আমি পালং থানার ওসিকে জানিয়েছিলাম। ওই মারামারিতে আমার পক্ষেরও ৬ জন আহত হয়েছে। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি আমার পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস আছে। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রকৃত দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবি করছি।
পালং মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আক্তার হোসেন বলেন, মারামারির বিষয়টি শুনে তাৎক্ষণিকভাবে আমি পুলিশ ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনি। আহতদেরকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে পাঠিয়েছি। চিকিৎসাধীন অবস্থায় একজনের মৃত্যু হয়েছে বলে শুনেছি। মৃতদেহের ময়না তদন্ত জন্য মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচ জনকে গ্রেফতার করেছি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

মন্তব্য

দৈনিক হুংকারে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।


error: দৈনিক হুংকারে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।