শুক্রবার, ৩রা ডিসেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ১৮ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২৮শে রবিউস সানি, ১৪৪৩ হিজরি
শুক্রবার, ৩রা ডিসেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি রোগীর চাপ বেড়েছে

শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি রোগীর চাপ বেড়েছে
শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে রোগীর অতিরিক্ত চাপ বাড়ায় বারান্দায় থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন রোগীরা। ছবি-দৈনিক হুংকার।

শরীয়তপুর সদর ১০০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। শয্যা না পেয়ে গলির মধ্যে ও ফ্লোরে বিছানা করে নিয়েছে অনেক রোগী। পাশাপাশি বহির্বিভাগেও বেড়েছে রোগীর সংখ্যা। লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে প্রথমে টিকেট সংগ্রহ করতে হয় রোগীদের। পরবর্তীতে চিকিৎসকের কক্ষের সামনে লাইনে দাঁড়িয়ে চিকিৎসা সেবা নিতে হয় তাদের। সবশেষে ঔষুধ পেতেও লাইনে দাঁড়াতে হয় রোগীদের। ধারণ ক্ষমতার বেশী রোগী হওয়ায় সেবা দিতে হিমসিম খাচ্ছেন চিকিৎসক ও নার্স। পাশাপাশি ঔষুধ কোম্পানীর প্রতিনিধিদের সামলানো ভিন্ন একটি চাপ।
সিভিল সার্জন অফিস সূত্র জানায়, বর্তমানে কোভিড ও ডেঙ্গু রোগী নাই এই জেলায়। এমনিতেই রোগীর চাপ বেশী। সদর উপজেলার ৯টি ইউনিয়নে নির্বাচন শেষ হয়েছে। নির্বাচন পূর্ববর্তী ও পরবর্তী সহিংসতায় আহত কিছু রোগীর চাপ বেড়েছে। ঋতু পরিবর্তনের সাথে জ্বর, সর্দি ও ঠান্ডায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। তবে ঔষুধের কোন সংকট নাই বলেও জানিয়েছে সূত্রটি।
সদর হাসপাতালের দ্বিতীয় তলার মহিলা ওয়ার্ডে গিয়ে দেখা যায়, গাইনী, মেডিসিন ও সার্জারী কক্ষের প্রতিটিতেই ধারণ ক্ষমতার অতিরিক্ত রোগী। কক্ষের বাহিরে গলিতে ও ফ্লোরে বিছানা নিয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন অনেক রোগী। এদের মধ্যে ডায়রিয়া ওয়ার্ডে ৮ জন ও ননকোভিড পুরুষ এবং মহিলা ওয়ার্ডে ১৩৮ জন রোগী রয়েছে। কোভিড পজিভিট, সন্দেহ ভাজন কোভিড, কোভিড নতুন ভর্তি রোগী ও ডেঙ্গু ওয়ার্ডে কোন রোগী দেখা যায়নি। তবে রোগীরা বিরক্তবোধ করেন বিভিন্ন ঔষুধ কোম্পানীর প্রতিনিধিদের আচরণে।
দেখা গেছে, রোগী চিকিৎসাপত্র নিয়ে চিকিৎসকের কক্ষ থেকে বের হওয়ার সাথে সাথে ঔষুধ কোম্পানীর প্রতিনিধিগণ সেটি তাদের হাতে তুলে নেয়। পরবর্তীতে এপিঠ-ওপিঠ ছবি তুলতে থাকেন। এতে অনেক রোগী বিরক্তিবোধ করেন। তবে গণমাধ্যম কর্মীর ক্যামেরা দেখলেই দ্রুত ছটকে পড়েন তারা।
এই বিষয়ে সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকের অফিসার ডা. সুমন কুমার পোদ্দারের সাথে কথা বলে জানা যায়, ঔষুধ কোম্পানীর প্রতিনিধিরা একটু বেশরম। তাদের উৎপাত সহ্য করতে না পেরে পুলিশেও দিয়েছেন। কিছুতেই তারা সুধরায় না। রোগীদের উৎপাত করেই চলছে।
সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মুনীর আহমদ খান বলেন, রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। রোগীদের মধ্যে কোভিড ও ডেঙ্গু রোগী নাই। তবুও রোগীরা ভাল সেবা পাচ্ছেন। এছাড়া ঔষুধেরও কোন সংকট নাই।

সংবাদটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

মন্তব্য

দৈনিক হুংকারে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।


error: দৈনিক হুংকারে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।