শুক্রবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ১৩ই কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২৩শে রবিউল আউয়াল, ১৪৪৩ হিজরি
শুক্রবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

ভাবির সাথে পরকিয়া, স্ত্রীর মামলায় স্বামী কারাগারে

ভাবির সাথে পরকিয়া, স্ত্রীর মামলায় স্বামী কারাগারে
খালেক উজ জামান প্রিন্স। ফাইল ফটো।

ভাবির সাথে পরকিয়ায় লিপ্ত খালেক উজ জামান প্রিন্সকে স্ত্রীর দায়ের করা মামলায় হাজতে পাঠিয়েছেন শরীয়তপুরের জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত। ১১ অক্টোবর সোমবার গ্রেপ্তারী পরোয়ানাভুক্ত আসামী সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সামসুল আলমের আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন। শুনানী শেষে বিচারক আসামীর জামিন নামঞ্জুর করে হাজতে প্রেরণ করেন। আসামী খালেক উজ জামান প্রিন্স যশোরের পুরাতন কশবা এলাকার মোজাম্মেল হকের ছেলে। এই মামলার পলাতক আসামী রফিকুজ্জামান ও খুরশিদা আক্তার দুলারি।
জানা গেছে, মামলার বাদীর সাথে ২ বছর পূর্বে খালেকের বিয়ে হয়। বিয়ের পূর্বে থেকেই বড় ভাইয়ের স্ত্রী খুরশিদা আক্তার দুলারির সাথে খালেক উজ জামানের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। বিয়ের পরে খালেক ও দুলারির প্রেমের সম্পর্ক আরো গভীর থেকে গভীরতর হতে থাকে। তাদের অবৈধ সম্পর্ক নববধুর দৃষ্টিগোচর হলে বিষয়টি পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের অবগত করে। পরবর্তীতে দুলারি ও পিন্স মিলে পরিকল্পিত ভাবে নববধুর উপর চালায় মানসিক ও শারীরিক অত্যাচার। এক পর্যায়ে দুলারির প্ররোচনায় যৌতুক দাবী করে খালেক। যৌতুক না দিতে পারায় নববধুর উপর অসহনীয় অত্যাচার বেড়ে যায়। সীমাহীন অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে বাদী আদালতের আশ্রয় গ্রহণ করেন।
মামলার বাদী বলেন, দুলারির স্বামীর আর্থিক দূর্বলতার কারণে দেবর খালেকের কাছ থেকে আর্থিক সহায়তা গ্রহণ করত। খালেক ও দুলারি সহপাঠি থাকা অবস্থায় তাদের মাঝে প্রেমের সম্পর্কও ছিল। পরবর্তীতে খালেকের বড় ভাই রফিকুজ্জামানের সাথে দুলারির বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে খালেক ও দুলারির মধ্যে পরকিয়া সম্পর্ক গড়ে ওঠে। আমাদের বিয়ে মেনে নিতে না পেরে বিয়ের কিছুদিন পরেই খালেক-দুলারির অবৈধ সম্পর্কের কথা আমার কাছে স্বীকার করে দুলারি। দুলারির কথায় গুরুত্ব না দেয়ায় বিষ পানে আত্মহত্যার চেষ্টা করে সে। পরে বিষয়টি উভয় পরিবারের মধ্যে জানাজানি হয়। পরবর্তীতে ক্ষিপ্ত হয়ে খালেক-দুলারি পরিকল্পিত ভাবে আমার উপর মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন করতে থাকে। এক পর্যায়ে যৌতুক দাবী করে। আমি নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে মামলা দায়ের করি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

মন্তব্য

দৈনিক হুংকারে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।


error: দৈনিক হুংকারে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।