রবিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ১০ আশ্বিন ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ২৮ সফর ১৪৪৪ হিজরি
রবিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ খ্রিস্টাব্দ

নড়িয়ায় যুবকের রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার

নড়িয়ায় যুবকের রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার
নড়িয়ায় যুবকের রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার

শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার আন্দার মানিক এলাকা থেকে আলমগীর মীরবহর (৩৬) নামের এক যুবকের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তিনি রাজনগর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মালতকান্দি গ্রামের মৃত দলিল উদ্দিন মীরবহরের ছেলে। রোববার সকালে বাজারের কাছের সড়ক থেকে তার রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধা করা হয়। তিনি শনিবার রাত থেকে নিখোঁজ ছিলেন।
ঘটনাস্থল থেকে তিনটি গুলির খোসা, একটি গুলি, পয়েন্ট ২২ বোর পিস্তলের গুলির খোসা একটি ও দুইটি ককটেল বোমাসহ বিস্ফোরিত বোমার অংশ উদ্ধার করা হয়েছে।
নড়িয়া থানা ও পারিবারিক সূত্র জানায়, রাজনগরের মালতকান্দি গ্রামের মৃত দলিল উদ্দিন মীরবহরের ছেলে আলমগীর মীরবহর কৃষি কাজের সাথে যুক্ত। শনিবার সন্ধ্যায় বাড়ি থেকে বের হয়ে স্থানীয় মহিষখোলা বাজারে যান আলমগীর। রাত ৯টার দিকে বড় ভাই জাহাঙ্গীরের সঙ্গে তার দেখা হয়। এ সময় তাকে বাড়ি যেতে বলেন জাহাঙ্গীর। এর পর আর আলমগীর বাড়ি ফিরে আসেনি। রাতে স্বজনরা তাকে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুজি করেছেন। রোববার সকাল ৬টার দিকে আন্দারমানিক বাজারের কাছে পাকা সড়ক থেকে তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
আলমগীরের ভাই জাহাঙ্গীর মীরবহর বলেন, আমার ভাইকে রাতের আধাঁরে পরিকল্পিতভাবে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। এলাকার কিছু মানুষের সাথে আমাদের ঝামেলা রয়েছে। তারা এ হত্যাকান্ডের সাথে জরিত থাকতে পারে। আমরা তাদের আইনের আওতায় আনতে মামলা করব।
নড়িয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রুবেল হাওলাদার বলেন,হত্যাকান্ডের ঘটনায় এখনো মামলা হয়নি। ময়নাতদন্ত শেষে ওই ব্যক্তির মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। আর যারা এ হত্যাকান্ডের সাথে জরিত তাদের সনাক্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
শরীয়তপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (নড়িয়া সার্কেল) মিজানুর রহমান বলেন, আলমগীরকে কে বা কারা হত্যা করেছে তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তাকে গুলি করে ও ককটেল হামলা দিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে আমাদের ধারনা। তার বুকের নিচে বাম পাশে একটি গভির ক্ষত। আর শরীরের বিভিন্ন স্থানে ক্ষত থাকায় ধারনা করা হচ্ছে গুলি ও বোমার আঘাতে ওই যুবকের মৃত্যু হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে কিছু আলামত উদ্ধার করা হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

দৈনিক হুংকারে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।


error: দৈনিক হুংকারে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।