বুধবার, ৩০ নভেম্বর ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ১৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪ হিজরি
বুধবার, ৩০ নভেম্বর ২০২২ খ্রিস্টাব্দ

নড়িয়ায় গণকবর স্থানের জায়গা দখল করে ঘর তোলার অভিযোগ

ঘড়িসারে গণকবর স্থানে জায়গা দখল করে ঘর নির্মাণ। ছবি-দৈনিক হুংকার।

শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলায় গনকবরস্থানের জায়গা রাতের আধারে দখল করে ঘর তোলার অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, নড়িয়া উপজেলার ঘড়িষায় ইউনিয়নের নন্দনসার গ্রামের জান্নাতুল বাকী গনকবরস্থানের জায়গা রাতের আধারে ঘর তুলে দখল করার অভিযোগ উঠে স্থানীয় প্রভাবশালী আনোয়ার বেপারী গং দের বিরুদ্ধে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় ঘড়িষার ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের নন্দনসার গ্রামের ডাঃ শাজাহান বেপারী, জাহাঙ্গীর বেপারী ও শফিকুল ইসলাম বেপারী তিন ভাই নন্দনসার মৌজার বিআরএস দাগে ৯.৩৩ শতাংশ জায়গা ২০১৮ সালে নন্দনসার জান্নাতুল বাকী গনকবরস্থানের নামে দলিল করে দেন। যা নামজারি করে গনকবরস্থানের নামে করা হয়।
গত ৭ সেপ্টেম্বর রাত ১২টার সময় দ্বীন মোহাম্মদ বেপারী, মোছলেউদ্দিন বেপারী ও আনোয়ার বেপারী লোকজন নিয়ে একটি দোচালা টিনের ঘর করে জায়গা দখল করে নেয়। কেউ বাঁধা দিতে আসলে তাকে দেখে নেয়ার হুমকি দেয়।
স্থানীয় প্রতিবেশী বলেন, আমরা ঘরে ঘুমিয়ে ছিলাম হঠাৎ রাত ১২ টার দিকে বাইরে শব্দ শোনা যায়। ঘর থেকে বের হয়ে দেখি আনোয়ার বেপারী ও তার ভাই ভাতিজা সহ ৩০/৪০ জন লোক গনকবরস্থানের জায়গায় ঘর তুলতেছে। ভয়ে তাদের বাঁধা দিতে পারি নাই। আমরা আমাদের গনকবরস্থানের জায়গা ফিরত চাই।
জান্নাতুল বাকী গনকবরস্থানের সহ-সভাপতি মোঃ আকতার ঢালী বলেন, আমাদের জান্নাতুল বাকী গনকবরস্থানের জায়গা দলিল করা। আনোয়ার বেপারী ও তার ভাই ভাতিজা মিলে ৩০/৪০ জন লোক নিয়ে রাতের আধারে গনকবরস্থানের জায়গায় ঘর তুলে। আমি প্রশাসনকে জানিয়েছি। যারা সন্ত্রাসী কায়দায় গনকবরস্থানের জায়গায় ঘর তুললো তাদের বিচার চাই। আমরা আইনের আশ্রয় নিব।
এ ব্যাপারে আনোয়ার বেপারীর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা ১৯৭৪ সালে মৌখিক বায়না করি। জমি বিক্রি করার কথা বলে বায়না নিয়ে আমাদের জমি দেয়নি।
ডাঃ শাজাহান বেপারী বলেন, আমাদের বাড়িত দুরে। আমি বিষয়টি শুনেছি। তবে আমি জেনে আপনাকে জানাব।
এ বিষয় নড়িয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ মোর্শেদুল ইসলাম বলেন, আমার কাছে এ বিষয়ে একটি অভিযোগ আছে। আমি বিষয়টি দেখে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহন করবো।

সংবাদটি শেয়ার করুন

দৈনিক হুংকারে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।


error: দৈনিক হুংকারে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।