বুধবার, ২রা ডিসেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ, ১৭ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ১৭ই রবিউস সানি, ১৪৪২ হিজরি
বুধবার, ২রা ডিসেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

মোক্তারের চরে তুচ্ছ ঘটনায় হামলা ও ভাংচুর আহত ৪ জন

শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহত সালাম মল্লিক ও সিয়াম শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। দৈনিক হুংকার।

নড়িয়া উপজেলার মোক্তারের চর কালিকাপ্রসাদ গ্রামে নদীতে মাছ ধরা ও ঘাটে ট্রলার বাঁধাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় সালাম মল্লিক ও আনু মুন্সীর ছেলে মজনু মুন্সীর তর্কবিতর্ক হয়। পরবর্তীতে বিষয়টি মারামারি, বাড়ি-ঘরে হামলা ও ভাংচুর পর্যন্ত গড়ায়। এই ঘটনায় সালাম মল্লিকসহ ৪ জন গুরুতর আহত হয়ে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এই ঘটনায় আহত সালাম মল্লিকের ছেলে সাগর বাদী হয়ে নড়িয়া থানায় অভিযোগ করেছেন। আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছে নড়িয়া থানা পুলিশ।
আহতের পরিবার ও স্থানীয় সূত্র জানায়, গত ২৯ আগস্ট শনিবার দুপুরে নদীতে চাই পাতা ও চাইয়ের নিকটবর্তী ট্রলার বেঁধে রাখাকে কেন্দ্র করে সালাম মল্লিক ও তার জমি ভাড়া নিয়ে বাড়ি করা আনু মুন্সীর ছেলে মজনুর কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে মজনু অপরিচিত কতিপয় লোক এনে সালাম মল্লিককে হুমকি দেয়। তখন সালাম ও মজনুর মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। বিষয়টি স্থানীয় সিপন মাদবর মীমাংসা করে দেয়। মীমাংসা শেষে বাড়ি ফেরার পথে মজনু মুন্সী তার সমর্থকদের নিয়ে হামলা চালিয়ে সালাম মল্লিক, তার ছেলে সাগর ও শিপনকে গুরুতর আহত করে। ওই সময় সালাম মল্লিকদের উদ্ধার করতে আসা সিয়ামও আহত হয়। এই বিষয়ে সাগর মল্লিক বাদী হয়ে নড়িয়া থানায় অভিয়োগ করেছে।
হাসপাতালের বেড থেকে সালাম মুন্সী জানায়, সে নদী ভাঙ্গন কবলিত আনু মুন্সীর কাছে জমি ভাড়া দিয়েছে। সেখানে ঘর করে আনু মুন্সী তার সন্তানদের নিয়ে থাকেন। আনু মুন্সীর ছেলে মজনু প্রতিদিন তার পেতে রাখা চাইয়ের নিকট ট্রলার বেঁধে রাখে। এতে তার চাইতে মাছ কম আসে। মজনু সালাম মল্লিকের বাঁধা না শুনে লোকজন নিয়ে এসে তার সাথে ঝগড়া বাঁধায় এবং আমি, আমার ছেলে ও শ্যালককে মারধর করে। মারধর ছাড়াতে এসে সিয়াম নামেও একজন আহত হয়েছে।
মামলার বাদী সাগর মল্লিক বলেন, তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে আমার বাবা, মামা ও আমাকে মারধর করেছে। আমি নড়িয়া থানায় মজনু মুন্সীসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছি। পরে মজনু মুন্সী নিজেদের ঘর ভাঙচুর করে আমাদের বিরুদ্ধে থানায় একটা পাল্টা ও মিথ্যা অভিযোগ করেছে।
নড়িয়া থানা অফিসার ইনচার্জ মো. হাফিজুর রহমান বলেন, এই বিষয়ে একটা অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।


error: দৈনিক হুংকারে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।