শুক্রবার, ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ, ২০ মাঘ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ১১ রজব ১৪৪৪ হিজরি
শুক্রবার, ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ

৫ শতাধিক প্রতিবন্ধিকে খাওয়ালেন দুপরের খাবার, মেহমানদারিও করলেন নিজেই

ঘড়িসারে প্রতিবন্ধিদের খাবার পরিবেশন করছেন চেয়ারম্যান আব্দুর রব খান। ছবি-দৈনিক হুংকার।

শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার ঘড়িসার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুর রব খান তার নিজ বাড়িতে প্রতিবন্ধি, অসহায় বৃদ্ধ, ভিক্ষুক, দুস্থ মানুষকে খাওয়ানের আয়োজন করেছেন। তাঁর নিমন্ত্রণ পেয়ে পাঁচ শতাধিক মানুষ হাজির হয়েছে। কোনো বিবাহ কিংবা সুন্নাতে খাতনা নয়। এলাকার দুঃস্থ-অসহায়-প্রতিবন্ধি মানুষদের এক বেলা খাওয়ানোর ইচ্ছা থেকেই এ আয়োজন। চেয়ারম্যানের এমন উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয় লোকজন।
সরেজমিনে দেখা যায়, চেয়ারম্যান আ: রব খানের বাড়ির সামনের উঠানে চার দিকে ডেকোরেটর এর কাপড় দিয়ে ঘিরে দেওয়া হয়েছে, সাজানো হয়েছে প্যান্ডেল। সারি সারি চেয়ার-টেবিল সাজানো প্যান্ডেলের ভিতর। পাশেই রান্নার আয়োজন। বুধবার (১৮ জানুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টার পর বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রতিবন্ধি, অসহায় বৃদ্ধ, ভিক্ষুক, দুস্থ মানুষেরা দাওয়াতে আসতে শুরু করেন। স্ক্রেজ ভর দিয়ে দাওয়াতে এসেছেন অর্ধশতাধিক মানুষ। পাঁচ শতাধিক মানুষ আসবেন আব্দুর রব খানের দাওয়াতে।
চেয়ারম্যান আব্দুর রব খান বলেন, আমি ঘড়িসার ইউনিয়ন পরিষদের তিনবার নির্বাচিত চেয়ারম্যান। এটার কারণ ইউনিয়নের লোকজন আমাকে ভালোবাসে। আমি তাদের ভালোবাসায় সিক্ত। এই ইউনিয়নে প্রতিবন্ধি, অসহায় বৃদ্ধ, ভিক্ষুক, দুস্থ মানুষেরা আছে। তাদের কেউ এভাবে দাওয়াত দিয়ে খাওয়ায় না। সব বড় বড় লোকদের কেই খাওয়ায়। বরং দাওয়াত দিলেও এদের বলে পরে আসো। তাই চিন্তা করেছি তাদের একবেলা প্যান্ডেল করে দাওয়াত করে ভালো কিছু খাওয়াবো। তাই গ্রামে গ্রামে গিয়ে দুস্থ মানুষদের ১ সপ্তাহের মতো সময় নিয়ে দাওয়াত দিয়েছিলাম। পাঁচ শতাধিক মানুষ উপস্থিত হয়েছেন। ভালোই লাগছে। খাবারের ছিল গরুর মাংস, মুরগির রোস্ট ও মসুর ডাল। প্রত্যেকের জন্য পৃথক পানির গ্লাস।
চেয়ারম্যান আব্দুর রব খান আরও বলেন, ইউনিয়নের ৮৫ জন ইমামকেও দাওয়াত দিয়েছিলাম, তারাও এসেছেন। আমাদের সকলের জন্য দোয়া করেছে। প্রতিবন্ধী, অসহায় বৃদ্ধ, ভিক্ষুক, দুস্থ মানুষেরা যারা এসেছিলেন তাদের যাতায়াতের ও ব্যবস্থা করে দিয়েছি। এটা আমার দায়িত্ব মনে করেছিলাম।

সংবাদটি শেয়ার করুন

দৈনিক হুংকারে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।


error: দৈনিক হুংকারে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।