শনিবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ১৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ৮ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪ হিজরি
শনিবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২২ খ্রিস্টাব্দ

নশাসনে স্থানীয় দ্বন্দ্বে ভেঙ্গে ফেলা হয়েছে মসজিদের পিলার

নশাসনে ভেঙ্গে ফেলা হয়েছে জান্নাতুল বাকী জামে মসজিদের ৬টি পিলার। ছবি-দৈনিক হুংকার।

স্থানীয় দ্বন্দ্বের জেরে মসজিদের পিলার ভেঙ্গে ফেলার ঘটনা ঘটেছে শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার নশাসন সরদার কান্দি গ্রামে। ঘটনার পরে এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি সমাধন না হলে যে কোন বড় ধরণের সংঘর্ষ হতে পারে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ১৫০ বছরের অধিককাল ধরে জান্নাতুল বাকী জামে মসজিদটি সরদার বাড়ির সামনে তৈরী করা হয়েছিল। মসজিদটি জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছিল। স্থানীদের সমন্বয়ে কমিটি গঠন করে মসজিদের তিন তলা বিশিষ্ট ভবন নির্মাণ কাজ শুরু করে। কিছুদিন ধরে মসজিদের মুছল্লিদের মধ্যে বিভক্তি শুরু হয়। মসজিদের বর্তমান কমিটি উপেক্ষা করে নির্মাণাধিন ভবনের ১২টি পিলারের মধ্য থেকে ৬টি পিলার ভেঙ্গে ফেলেছে একটি পক্ষ। এই নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে।
মসজিদ নির্মাণ কমিটির মোতাওয়াল্লি হাফেজ আলাউদ্দিন বলেন, মসজিদটি ১৮৬ বছরের পুরাতন। স্থানীয় ভাবে কমিটি গঠন করে তিনতলা বিশিষ্ট একটি মসজিদ ভবন নির্মাণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করি। বিত্তবান ও স্থানীয়দের কাছ থেকে টাকা তুলে তহবিল গঠন করি। পরে ১২টি পিলার বিশিষ্ট একটি ৩ তলা মসজিদের ভবনের ব্যাজ ঢালাই সম্পন্ন করে। বর্তমানে স্থানীয় দিদার সরদার, মালেক সরদার, উজ্জল সরদার, রুহুল আমিন সরদার মসজিদ নির্মাণে বাঁধা হয়ে দাঁড়ায়। ইতোমধ্যে তারা মসজিদের নামে প্রায় ২ একর ফসলি জমিও দখল করে নিয়েছে। এবার মালেক সরদার ও দিদার সরদারের নেতৃত্বে ১২টি পালার থেকে ৬টি পিলার কেঁটে ফেলেছে। আমরা যারা মসজিদ নির্মাণের পক্ষে কাজ করছি তাদের মসজিদে আসতে নিষেধ করেছে।
৮ নং ওয়ার্ড মেম্বার হানিফ খান বলেন, এখন যারা মসজিদের বাঁধা হয়ে দাঁড়িয়েছে তারাই মসজিদ নির্মাণে উদ্যোগী ছিলেন। আমাদের নিয়ে কমিটি করে মসজিদ নির্মাণ কাজ শুরু করে। সেখানে বর্তমান চেয়ারম্যান ও সাবেক চেয়ারম্যান উপস্থিত ছিলেন। মসজিদের নামে ২ একর জমি রয়েছে। সেই জমি ভোগ দলখ করছেন যারা মসজিদ নির্মাণে বাঁধা দিচ্ছেন তারা। তাদের ধারণা মসজিদ নির্মাণ হলে শক্ত কমিটি হবে। তখন হয়তো মসজিদের জমি ছেড়ে দিতে হতে পারে। তাই মসজিদের ১২টি পিলার থেকে ৬টি পিলার কেঁটে ফেলেছে। আমরা চাই মসজিদের নামে ওয়াকফকৃত জমিতেই মসজিদ নির্মাণ হবে। এই জন্য আমরা সার্বিক সহায়তা কামনা করছি।
মালেক সরদার বলেন, এতোবড় মসজিদ নির্মাণে অনেক টাকা ব্যয় হবে। টাকার অভাবে নির্মাণ কাজ বন্ধ আছে। তাই হয়তো ৬টি পিলার কেঁটে ফেলেছে। তবে কে পিলার কেটেছে তা বলতে পারব না।

সংবাদটি শেয়ার করুন

দৈনিক হুংকারে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।


error: দৈনিক হুংকারে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।