মঙ্গলবার, ১৫ই জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ১লা আষাঢ়, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ৫ই জিলকদ, ১৪৪২ হিজরি
মঙ্গলবার, ১৫ই জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

মেঘনা হতে অবৈধ বালু উত্তোলনের দায়ে ৫ জনের কারাদন্ড

মেঘনা হতে অবৈধ বালু উত্তোলনের দায়ে ৫ জনের কারাদন্ড

শরীয়তপুরের গোসাইরহাট উপজেলার মেঘনা নদীতে অভিযান চালিয়ে ৪ টি অবৈধ বালু উত্তোলনকারীদের ও পাঁচ জনকে আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

বুধবার ১১ নভেম্বর দুপুরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গোসাইরহাট উপজেলার আলাওলপুর ইউনিয়নের চর জালালপুর মৌজায় মেঘনা নদীতে অভিযান এ অভিযান পরিচালনা করেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও গোসাইরহাট উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আব্দুল্লাহ আল মামুন।

অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলন কারি ড্রেজার থেকে আটককৃতরা হলেন পটুয়াখালী জেলাযর কলাপাড়ার মৃত: আব্দুল জব্বার জমাদারের ছেলে মোঃ ইব্রাহিম(২৯),  শরীয়তপুরের গোসাইরহাটের সুলতান খাঁর ছেলে মোঃ মোরশেদ(২৬), গোসাইরহাটের মোঃ হাসু মিয়া(৪০), কুড়িগ্রাম জেলার জয়নাল খন্দকারের ছেলে মোঃ সাইফুল ইসলাম(২৩), পটুয়াখালী জেলার আব্দুল খালেক হাওলাদারের ছেলে মোঃ মামুন(৩৫)।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক সহকারী কমিশনার(ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আবদুল্লাহ আল মামুন গ্রেফতারকৃতদের বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন ২০১০ অনুসারে যথাক্রমে ২০দিন, ১৫দিন, ১০দিন, ০৭দিন ও ০৭দিন বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।

এ বিষয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক সহকারী কমিশনার(ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আবদুল্লাহ আল মামুন
বলেন, বালুমহাল ঘোষণা ব্যতীত নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন দণ্ডনীয় অপরাধ। কিছু কুচক্রী প্রভাবশালী মহল এখানে বালু উত্তোলন করছে। আমরা বার বার অভিযান করেও এই দুর্বৃত্তদের দমন করতে পারছি না। গতকাল দুপুরে সংবাদ পেয়ে আমি অভিযান চালিয়ে চর জালালপুর মেঘনা নদীতে চলমান ৪টি ড্রেজার থেকে ৫ জনকে গ্রেফতার করে সাজা প্রদান করি। বালু উত্তোলন যেন না হয় এ বিষয়ে মহামান্য হাইকোর্টের একটি নির্দেশনা রয়েছে। ভবিষ্যতেও এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

মন্তব্য

দৈনিক হুংকারে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।