শনিবার, ৫ই ডিসেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ, ২০শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২০শে রবিউস সানি, ১৪৪২ হিজরি
শনিবার, ৫ই ডিসেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

গোসাইরহাটে টিটু হত্যার বিচার দাবীতে বিক্ষোভ সমাবেশ ও সংবাদ সম্মেলন

গোসাইরহাটে টিটু হত্যার বিচার দাবীতে বিক্ষোভ সমাবেশ ও সংবাদ সম্মেলন
হত্যাকারীদের বিচারের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন লিখিত বক্তব্য রাখছেন নিহতের পিতা আব্দুল জলিল সরদার। ছবি-দৈনিক হুংকার।

গোসাইরহাট উপজেলার নাগেরপাড়া ইউনিয়ন স্বাস্থ্যসহকারী, ঔষুধ ব্যবসায়ী ও নাগেরপাড়া ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক সহ-সভাপতি ইলিয়াছ কাঞ্চন টিটু হত্যার বিচার দাবীতে নাগেরপাড়া বাজারে বিক্ষোভ সমাবেশ ও সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এলাকাবাসী ও নিহতের পরিবারের উদ্যোগে বেলা ১১টায় নাগেরপাড়া বাজারে সমবেত হয়ে সহস্রাধিক জনতা হত্যাকান্ডের সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবী করে গোসাইরহাট-শরীয়তপুর সড়কে বিক্ষোভ সমাবেশ করে।
এসময় সড়কে যানচলাচল বন্ধ হয়ে যায়। প্রায় ঘন্টাব্যাপী বিক্ষোভ শেষে নাগেরপাড়া বাজারস্থ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ কার্যালয়ের সামনে অনুষ্ঠিত হয় সংবাদ সম্মেলন। এ সংবাদ সম্মেলনে নিহতের বৃদ্ধ পিতা থেকে শুরু করে এক বছরের শিশু পুত্রও উপস্থিত ছিলেন।
এসময় নিহতের পিতা নাগেরপাড়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ডাঃ আবদুল জলিল সরদার লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন।
বক্তব্য রাখেন, গোসাইরহাট উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি মোঃ শাহজাহান সিকদার, নাগেরপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সভাপতি এনায়েতুল করিম মিলু মাস্টার, নাগেরপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ মহসিন সরদার, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক ফরিদ উদ্দিন মাসুদ, আওয়ামীলীগ নেতা জয়নাল আবেদিন মাস্টার।
এ সময় নিহতের মা রাশিদা বেগম, স্ত্রী মিলি আক্তার, ৩ পুত্র অনিক, মুশফিক ও আফিফ উপস্থিত ছিলেন।
লিখিত বক্তব্যে আবদুল জলিল সরদার বলেন, আমার জেষ্ঠপুত্র ইলিয়াছ কাঞ্চন টিটু নাগেরপাড়া ইউনিয়নের সাবেক ১ নং ওয়ার্ডে স্বাস্থ্য সহকারী ছিলেন। আমার শত্রুপক্ষের লোকজন দীর্ঘদিন যাবৎ আমাকে গায়েল করার জন্য আমার ছেলে সহ পরিবারের সদস্যদের হত্যার হুমকি দিয়ে আসছিল। গত ১৫ মে স্থানীয় একটি মারামারিকে কেন্দ্র করে আমার ছেলে টিটু বাদী পক্ষে অবস্থান নেওয়ার কারণে তাকে নির্মমভাবে জীবন দিতে হয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় ৪ সেপ্টেম্বর রাতে আসামীরা আমার ছেলেকে তার বসৎ ঘর থেকে ডেকে নিয়ে পাশের টিনের ঘরে মধ্যে হত্যা করে ফেলে যায়। আমার এটাকে স্বাভাবিক মৃত্যু মনে করলে ও ময়না তদন্তে জানাযায় এটা অস্বাভাবিক মৃত্যু। তাই ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে আমরা থানায় মামলা করতে গেলে পুলিশ মামলা গ্রহন করেনি। বাধ্য হয়ে ১৩ জন সহ নাম না জানা আরো কয়েক জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করেছি। এর প্রেক্ষিতে আসামীরা আমাকে ও আমার পরিবারের সদস্যদের অনবরত হুমকি দিয়ে আসছে। আমি জাতির বিবেক সাংবাদিক সমাজের মাধ্যমে স্বপরিবার হারানোর বেদনায় ভারাক্রান্ত মানবতার মা, জাতির জনকের কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, শরীয়তপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য নাহিম রাজ্জাক, শরীয়তপুরে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও গোসাইরহাট থানা অফিসার ইনচার্জ এর নিকট আমার ছেলের হত্যাকারীদের বিচার দাবী করছি।


error: দৈনিক হুংকারে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।