বৃহস্পতিবার, ১৩ই মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ৩০শে বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১লা শাওয়াল, ১৪৪২ হিজরি
বৃহস্পতিবার, ১৩ই মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

ডামুড্যায় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে করোনায় আক্রান্তের বাড়িতে খাদ্য সহায়তা প্রদান

ডামুড্যায় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে করোনায় আক্রান্তের বাড়িতে খাদ্য সহায়তা প্রদান
ডামুড্যায় করোনায় আক্রান্তদের বাড়িতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। ছবি-দৈনিক হুংকার।

শরীয়তপুরের জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে করোনা আক্রান্ত ব্যক্তিদের বাড়িতে খাদ্যসহায়তা ও চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। বৃহস্পতিবার থেকে এ কার্যক্রম শুরু করেছেন ডামুড্যা উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা। শুক্রবার ডামুড্যা উপজেলার কয়েকটি পরিবারকে এই সহায়তা দেওয়া হয়েছে। তাদের চাল, ডাল, তেল ও বিভিন্ন ফল দেওয়া হয়। ডামুড্যা উপজেলার চরভয়রা গ্রামের বাসিন্দা ইব্রাহীম হোসেন (৩৩) ওমানপ্রবাসী ছিলেন। করোনার কারণে গত বছর অক্টোবর মাসে গাড়িচালকের কাজটি হারান। হাতে যা টাকা ছিল তা দিয়ে দুই মাস সেখানে অবস্থান করে নতুন কাজ খোঁজেন। কোনো কাজ না পেয়ে শেষ পর্যন্ত ডিসেম্বরে দেশে ফিরে আসেন। চলতি বছরের ২৯ মার্চ তাঁর করোনা শনাক্ত হয়। বাড়িতে থেকেই চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। এমন পরিস্থিতিতে তিনি অর্থসংকটে হতাশ হয়ে পড়েন।
বৃহস্পতিবার ইব্রাহীম হোসেনের মুঠোফোনে শরীয়তপুরের জেলা প্রশাসক (ডিসি) পারভেজ হাসান একটি খুদে বার্তা পাঠান। করোনার কারণে শারীরিক ও আর্থিক সংকটে থাকলে পাশে দাঁড়াতে চান এমন কথা জানানো হয় খুদে বার্তায়। দেওয়া হয় ডিসি ও সিভিল সার্জনের ফোন নম্বর।
ওই খুদে বার্তা দেখে ইব্রাহীম হোসেন ডিসিকে ফোন করেন। পরিবার নিয়ে সংকটে আছেন ও অর্থকষ্টে দিন কাটাচ্ছেন এমন কথা জানান। এরপরই ইব্রাহীমের বিস্তারিত খোঁজ নেয় ডামুড্যা উপজেলা প্রশাসন। গতকাল শুক্রবার সকালে একজন চিকিৎসক নিয়ে চরভয়রা গ্রামে যান ডামুড্যা উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফজলে এলাহী। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন ডাঃ ফারুক আল ইসলাম, পূর্ব ডামুড্যা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ মাসুদ পারভেজ লিটন।
চিকিৎসক তাঁর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে ঔষধ দেন। আর খাদ্যসহায়তা হিসেবে চাল, ডাল, তেল, আলু ও বেশ কিছু ফল দেওয়া হয়। ইব্রাহীম হোসেন বলেন, ওমান থেকে দেশে ফিরে চরম অর্থসংকটে পড়েন। স্ত্রী ও তিন শিশুসন্তান নিয়ে কষ্টের দিন পার করছিলেন। এরই মধ্যে করোনায় সংক্রমিত হন। মোবাইলে ডিসির স্যারের মেসেজ দেখে তাঁকে ফোন করে অসহায় পরিস্থিতি কথা জানান। পরে প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাঁকে খাদ্য ও চিকিৎসা সহায়তা দেওয়া হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

মন্তব্য

দৈনিক হুংকারে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।