মঙ্গলবার, ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ৬ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৪ই সফর, ১৪৪৩ হিজরি
মঙ্গলবার, ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

ভেদরগঞ্জে আউশধানের বাম্পার ফলন, ন্যায্য দামে কৃষকের মুখে হাসি

ভেদরগঞ্জে আউশধানের বাম্পার ফলন, ন্যায্য দামে কৃষকের মুখে হাসি
ভেদরগঞ্জের ডিএম খালীতে আউশ ধানের প্রদর্শণী। ছবি-দৈনিক হুংকার।

চলতি মৌসুমে শরীয়তপুর জেলার ভেদরগঞ্জ উপজেলায় আউশ ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। ভালো ফলনের পাশাপাশি ধানের দামও ভালো পেয়ে খুশি এ অঞ্চলের কৃষকরা। আগামীতে তারা আরও বেশি জমিতে আউশ চাষ করতে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন।
চলতি বছরে ভেদরগঞ্জ উপজেলায় আউশ আবাদের লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ৫ হাজার ৩৭০ হেক্টর। সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা বিনামূল্যে বীজসার প্রাপ্তিসহ বিভিন্ন প্রণোদনার ফলে চলতি বছরে ৫ হাজার ৮২০ হেক্টর জমিতে আউশের আবাদ হয়েছে।
যার মধ্যে উপসী উন্নত জাতের ৩ হাজার ৯৭৫ হেক্টর ও দেশী জাতের ১ হাজার ৮৪৫ হেক্টর জমিতে আবাদ হয়েছে। ডিএমখালি ইউনিয়নের কৃষক তারা বকাউল বলেন, চলতি মৌসুমে ৬৫ শতক জমিতে আউশ ধানের আবাদ করেছিলেন। আবাদ করতে গিয়ে জমি চাষ, বীজ, শ্রমিক ও সার বাবদ খরচ হয়েছিল ১২ হাজার টাকা। জমি থেকে আউশ ধান কাটার পর ফলন হয়েছে ২৫ মণ। প্রতি মণ ধানের এখন বাজার দর এক হাজার থেকে ১২শ’ টাকার মতো। এই হিসাবে খরচ বাদে আমি ধান থেকে লাভ পেয়েছি ১৫ হাজার টাকা। এ ছাড়া ধানের খড় আলাদা বিক্রি করে আরও তিন থেকে পাঁচ হাজার টাকা আসবে।
একই এলাকার কৃষক খুরশেদ জানান, অধিকাংশ কৃষকের এবার আউশ ধানের ভালো ফলন হয়েছে। ফলন ভালো হওয়ায় এবং দাম ভালো পেয়ে কৃষকরা বেশ খুশি। আগামীতে আউশ ধানের আবাদ বাড়বে এমনটাই জানান তিনি।
চরকুমারিয়া এলাকার কৃষক মনসুর আলী জানান, আগে আউশ ধান ফলন খুব একটা হতো না। কিন্তু বর্তমানে সরকারের দেয়া উন্নত জাতের আউশ ধান চাষ করে আমরা বেশ লাভবান হয়েছেন। বিশেষ করে চলতি মৌসুমে উন্নত জাতের আউশ ব্রিধান-৮৫ এবং বিনা ধান আবাদ করে কৃষকরা ভালো ফলন পেয়েছেন।
ডিএমখালি ইউনিয়নের উপসহকারী কৃষি অফিসার মামুনুর রশিদ হাসিব বলেন, জাতির জনকের কন্যা কৃষিবান্ধব মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এর সুদুর প্রসারি চিন্তার ফলে দেশে উচ্চ ফলনশীল নতুন নতুন জাতের আবিষ্কার হচ্ছে। আর আমরা সঠিক তদারকি করে আবাদের ফলে আউশ ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে।
ভেদরগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ ফাতেমা ইসলাম বলেন, এপ্রিল মাসের দিকে আউশ ধান রোপণ করার সময় পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত হওয়ায় বিনামূল্যে সরকারি সার ও বীজ পাওয়ায় আউশের বাম্পার ফলন হয়েছে। তেমনি ধানের ন্যায্য দাম পেয়েছে কৃষক। আগামীতে আউশ ধান আবাদ বাড়বে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

মন্তব্য

দৈনিক হুংকারে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।


error: দৈনিক হুংকারে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।