মঙ্গলবার, ১৫ই জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ১লা আষাঢ়, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ৫ই জিলকদ, ১৪৪২ হিজরি
মঙ্গলবার, ১৫ই জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

যুগান্তর পত্রিকার ভেদরগঞ্জ উপজেলা প্রতিনিধি শাকিল আহমেদের উপর হামলা

যুগান্তর পত্রিকার ভেদরগঞ্জ উপজেলা প্রতিনিধি শাকিল আহমেদের উপর হামলা
শাকিল আহম্মেদ। ফাইল ফটো।

শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে ভেদরগঞ্জ উপজেলায় কর্মরত শাকিল আহম্মেদ নামের এক সাংবাদিকের উপর হামলা হয়েছে। এ সময় তার ক্যামেরা ভাংচুর করা হয়। এ ব্যপারে সখিপুর থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী ওই সাংবাদিক।
শাকিল আহম্মেদ দৈনিক যুগান্তর পত্রিকার ভেদরগঞ্জ প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
বৃহস্পতিবার (৩ জুন) বিকেলে শরীয়তপুর-চাঁদপুর মহাসড়কের ভেদরগঞ্জ উপজেলার ডিএমখালী ইউনিয়নের গাজী কান্দি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা বলেন, ১বছর আগে শরীয়তপুর-চাঁদপুর মহাসড়কটিকে চার লেনে উন্নীতকরন কাজ শুরু হয়। শরীয়তপুর-২ আসনের এমপি ও পানি সম্পদ উপমন্ত্রী একেএম এনামুল হক শামীম কাজের উদ্ধোধন করেন। পরবর্তী ঐ সড়ক প্রশস্ত করার লক্ষ্যে জমি অধিগ্রহন কাজ শুরু হয়। বর্তমানে জমি অধিগ্রহন কার্যক্রম শুরু হওয়ার খবরে ঐ মহাসড়কের দুইপাশ ঘিরে অস্থায়ী অবৈধ স্থাপনা নির্মান শুরু করে একটি প্রভাবশালী চক্র। যাতে করে স্থাপনা দেখিয়ে সরকারি মোটা অংকের অর্থ আত্মসাৎ করতে পারে। সেই সংবাদ সংগ্রহের জন্য বৃহষ্পতিবার (৩ জুন) বিকেলে দৈনিক যুগান্তরের ভেদরগঞ্জ প্রতিনিধি শাকিল আহম্মদ আসেন।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী সজিব মাহামুদ, বলেন চার লেন রাস্তা করার জন্য সরকার জমি অধিগ্রহণ করছেন। কিছু অসাধু ও দালাল চক্র সরকারি এই টাকা আত্মসাতের জন্য অস্থায়ী স্থাপনা নির্মাণ করছে। সেই সংবাদ নেওয়ার জন্য শাকিল ঘটনাস্থলে আসলে তার ওপর স্থানীয় দালাল আহমদ আলী ও মাইন উদ্দিন তার ওপর চড়াও হয়। এবং তার ওপর লাঠি ও শাবাল নিয়ে হামলা করেন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে।
সাংবাদিক শাকিল আহম্মেদ বলেন, অবৈধ স্থাপনা নির্মানের সংবাদ শুনে আমি চাঁদপুর-শরীয়তপুর মহাসড়কে পাশের স্থাপনা দেখার জন্য যাই। গিয়ে ঘটনার সত্যতা পেলে। তা আমার মোবাইল ফোনে ক্যামেরা ধারণ করা জন্য বের করি। তখন স্থানীয় দালাল আহমদ আলীর নেতৃত্বে স্থানীয় মহিউদ্দিন ও পারভেজ আমার উপর লাঠি ও শাবল দিয়ে হামলা চালায়। এ সময় স্থানীয়দের সহায়তায় আমি রক্ষা পাই। পরে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে আমি থানায় অভিযোগ করি।
এ ব্যপারে আহমদ আলী কে বার বার ফোন দিলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
সখিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান হাওলাদার বলেন, এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

মন্তব্য

দৈনিক হুংকারে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।