মঙ্গলবার, ১৫ই জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ১লা আষাঢ়, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ৫ই জিলকদ, ১৪৪২ হিজরি
মঙ্গলবার, ১৫ই জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

ভেদরগঞ্জে সচেতনতা বৃদ্ধি বিষয়ক প্রশিক্ষণ

ভেদরগঞ্জে সচেতনতা বৃদ্ধি বিষয়ক প্রশিক্ষণ
ভেদরগঞ্জে সচেতনতা বৃদ্ধি বিষয়ক প্রশিক্ষণে বক্তব্য রাখছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার তানভীর আল নাসীফ। ছবি-দৈনিক হুংকার।

ভেদরগঞ্জে সরকারের উপজেলা পরিচালনা ও উন্নয়ন প্রকল্প (ইউজিডিপি) এর আওতায় স্বাস্থ্য সম্মত পরিবেশে রান্না ও পরিবেশন এবং মোবাইল কোর্ট সংক্রান্ত জনসচেতনতা বৃদ্ধি বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
৩০ মে (রবিবার) ভেদরগঞ্জ উপজেলা পরিষদের শহীদ আক্কাস-শহীদ মহিউদ্দিন মিলনায়তনে ৩ দিন ব্যাপি এ প্রশিক্ষণ উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার তানভীর আল নাসীফ।
উপজেলা পরিচালনা ও উন্নয়ন প্রকল্প, স্থানীয় সরকার ও জাপান কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা) এর আর্থিক সহায়তায় অনুষ্ঠিত এবং উপজেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগের উদ্যোগে প্রশিক্ষনে উপজেলার শতাধিক ব্যবসায়ী অংশ গ্রহণ করেন।
প্রশিক্ষণ প্রদান করেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মেঘনাদ সাহা, জেলা স্বাস্থ্য পরির্দশক আবুল হোসেন, জেলা ভোক্তা অধিকারের সহকারী পরিচালক মোঃ সুজন কাজী, ভেদরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য পরির্দশক এইচ এম আকতার।
প্রশিক্ষণের উদ্বোধক উপজেলা নির্বাহী অফিসার তানভীর আল নাসীফ বলেন, বিশুদ্ধ খাদ্যদ্রব্য সুলভে সরবরাহ করার উদ্দেশ্যে সরকার বাংলাদেশে ভোক্তা অধিকার প্রতিষ্ঠা করে। সারাদেশে যাতে স্বাস্থ্য সম্মত পরিবেশে খাবার রান্না ও পরিবেশন হয় তার জন্য কাজ করছে ভোক্তা অধিকার। আমাদের দেশে শাকসবজি, ফলমূল, মাছ-মাংস কৃষকরা উৎপাদন করে। তারা কখনো ভেজাল বা ক্যামিকেল মিশায়না। তাদের কাছ থেকে এনে এক শ্রেণির ব্যবসায়ী অতি মুনাফা লাভের আশায় এ কাজটি করে। এছারা আমাদের দেশে বিশেষ করে গ্রাম ও নগরের হোটেল রেস্তোরা গুলো খাবার রান্না ও পরিবেশনের ব্যবস্থা সন্তোষ জনক নয় বলেই ভোক্তা অধিকার ও প্রশাসনকে কাজ করতে হয়। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এঁর সরকারের নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন এ পরিবেশনের জন্য প্রচেষ্টায় বাজারে ভেজাল খাদ্যে মাত্রা কমে এসেছে।
সম্প্রতি খাদ্যপণ্যের চাষাবাদে বিভিন্ন ধরণের কীটনাশক অবাধে ব্যবহার করা হচ্ছে। এসব কীটনাশক নানাভাবে আমাদের শরীরে প্রভাব ফেলছে। দেখা দিচ্ছে ফুসফুস ক্যান্সার, লিউকেমিয়াসহ নানা ধরণের জটিলতা।
দেশের ৭৫ ভাগ কৃষক জানেন কীটনাশকে ক্ষতি হয়, তারপরও ফসল কম হবে এই আশঙ্কায় তাঁরা কীটনাশক ব্যবহার করেন। বেশি লাভবান হওয়ার ইচ্ছাও কৃষককে কীটনাশক ব্যবহারে উৎসাহী করে তুলছে। এ থেকে বেরিয়ে আসার জন্য সবাইকে অনুরোধ জানান।

সংবাদটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

মন্তব্য

দৈনিক হুংকারে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।