বুধবার, ২০শে জানুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ৬ই মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ৭ই জমাদিউস সানি, ১৪৪২ হিজরি
বুধবার, ২০শে জানুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

ভেদরগঞ্জে খাদ্যের নিরাপদতা শীর্ষক সেমিনার

ভেদরগঞ্জে খাদ্যের নিরাপদতা শীর্ষক সেমিনার
ভেদরগঞ্জে খাদ্যের নিরাপদতা শীর্ষক সেমিনারে সভাপতির বক্তব্য রাখছেন ভেদরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার তানভীর আল নাসীফ। ছবি-দৈনিক হুংকার।

ভেদরগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের আয়োজনে মুজিববর্ষে কোভিক-১৯ এর স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে উপজেলা পর্যায়ে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলায় খাদ্যের নিরাপদতা শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
২৮ ডিসেম্বর সোমবার দুপুরে ভেদরগঞ্জ উপজেলা পরিষদের শহীদ আক্কাস-শহীদ মহিউদ্দিন মিলনায়তনে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের আয়োজনে এই খাদ্য নিরাপদ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।
ভেদরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার তানভীর আল নাসীফ এর সভাপতিত্বে সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব হুমায়ুন কবির মোল্লা। বিশেষ অতিথি ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) শংকর চন্দ্র বৈদ্য, উপজেলা কৃষি অফিসার ফাতেমা ইসলাম, প্রাণীসম্পদ অফিসার ডাঃ ফারুক আহমেদ, ভেদরগঞ্জ উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোহাম্মদ কফিল উদ্দিন, শরীয়তপুর জেলা নিরাপদ খাদ্য অফিসার সাগর মল্লিক, চরকুমারিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ মোজাম্মেল হক মোল্যা, ছয়গাও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মীর মোঃ মামুন। সেমিনারে উপজেলার মিলার, হোটেল ব্যবসায়ী, ফল বিক্রেতা, শিক্ষক ও সাংবাদিকগণ অংশ গ্রহণ করেন।
সভাপতি বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার তানভীর আল নাসীফ বলেন, উন্নয়নশীল দেশ গুলোতে দ্রুত জনসংখ্যা বৃদ্ধির পরিমাণ খাদ্যের ওপর ব্যাপক চাপ সৃষ্টি করছে। এ জন্য একমুখী খাদ্য উৎপাদন ব্যবস্থা সৃষ্টি হচ্ছে। এক গবেষণায় দেখা গেছে, বছরে প্রায় ৬০ কোটি মানুষ অনিরাপদ খাদ্য থেকে সৃষ্ট নানা সমস্যায় আক্রান্ত হচ্ছে এবং তার মধ্যে ৪ লাখ ২০ হাজার মানুষ মৃত্যুবরণ করছে। পৃথিবীর প্রায় ৭৫ ভাগ মানুষ সুপেয় পানি থেকে বঞ্চিত। এই পরিসংখ্যান গুলো আমাদের জন্য উদ্বেগজনক। নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন করতে না পারলে নিরাপদ খাদ্য সরবরাহ করার কথা চিন্তাও করা যায় না। কৃষিতে ঢালাও ভাবে রাসায়নিক দ্রব্যের ব্যবহার হচ্ছে। মাংস উৎপাদনে অসচেতন ভাবে ভেটেরিনারি ডোজ ব্যবহার করা হচ্ছে, যা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। কর্তৃপক্ষকে বাজারে খাদ্য নিরাপত্তার বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। খাদ্য ও স্বাস্থ্য একটি আরেকটির পরিপূরক। ইউএসএআইডি নিরাপদ খাদ্যের ওপর জোর দেওয়ার সঙ্গে খাদ্যের উৎপাদন ও অন্য বিষয় গুলো তদারক করে। সর্বোপরি সবার জন্য নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে হলে সরকারি, বেসরকারি খাতসহ সব শ্রেণি পেশার মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে।
তিনি আরো বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একটি সুস্থ্য সবল জাতি গঠণের লক্ষে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ গঠণের মাধ্যমে দেশ ব্যাপি খাদ্যের নিরাপত্তার জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। আমরা উৎপাদক ও বিক্রেতাদের উপর নির্ভরশীল না থেকে ভোক্তাদের ও সচেতন হতে হবে।


error: দৈনিক হুংকারে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।