বুধবার, ২রা ডিসেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ, ১৭ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ১৭ই রবিউস সানি, ১৪৪২ হিজরি
বুধবার, ২রা ডিসেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

ভেদরগঞ্জে ৪১৬ সবজি বাগানের জন্য সরকারের বরাদ্দ প্রায় ১১ লক্ষ টাকা

ভেদরগঞ্জে ৪১৬ সবজি বাগানের জন্য সরকারের বরাদ্দ প্রায় ১১ লক্ষ টাকা

২০১৯-২০ অর্থ বছরে খরিপ-১/২০২০-২১ মৌসুমে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচীর আওতায় ভেদরগঞ্জ উপজেলার ৪১৬ জন কৃষকের বাড়িতে সবজি বাগান সৃষ্টির জন্য ১০ লক্ষ ৯৫ হাজার ৪ শত টাকা দিয়েছে সরকার। কালিকাপুর মডেল অনুসারে সারা বছর সব্জি উৎপাদন করতে ১৩ প্রকারের সব্জির বীজ, সাইনবোর্ড, সার ও পরিচর্যা বাবদ নগদ ১ হাজার ৯ শত ৩৫ টাকা করে মোবাইল একাউন্টে দেওয়ার কর্মসূচির আওতায় উপজেলায় প্রতি ইউনিয়নে ৩২ টি করে কৃষকের বাড়িতে সবজি বাগান সৃষ্টি করা হয়েছে।
আজ ৭ জুলাই মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলা পরিষদের শহীদ আক্কাস শহীদ মহিউদ্দিন মিলনায়তন থেকে আনুষ্ঠানিক ভাবে বীজ,সার ও সাইনবোর্ড বিতরণ করা হয়।
প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে বিতরণ কর্মসূচি উদ্বোধন করেন ভেদরগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব হুমায়ুন কবির মোল্লা।বিশষ অতিথি ছিলেন নির্বাহী অফিসার তানভীর আল নাসীফ । উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ ফাতেমা ইসলাম এর সভাপতিত্বে এ সময় আরো উপস্তিত ছিলেন সহকারী কমিশনার ( ভূমি) শংকর চন্দ্র বৈদ্য। কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার রতন কুমার ঘোষ, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মামুনুর রশিদ হাসিব, আর্শিনগর ইউনিয়ন উপসহকারী কৃষি অফিসার কায়সার আহমেদ রানা,রামভদ্রপুর ব্লকের উপসহকারী কৃষি অফিসার রনি আহম্মেদ,নারায়নপুরের উপসহকারী কৃষি অফিসার আব্দুল কাহার,সহ অফিসের অন্যান্য কর্মকর্তা কর্মচারী বৃন্দ।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব হুমায়ুন কবির মোল্লা বলেন,জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা করোনা দূর্যোগের পরবর্তী দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতের জন্য উৎপাদন বৃদ্ধির উপর বিশেষ ভাবে কৃষি বিভাগকে নির্দেশনা দিয়েছেন। শুধু নির্দেশনা দিয়েই ক্ষান্ত হননি তার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ দিয়েছেন। যাতে প্রতি ইঞ্চি জমি আবাদের আওতায় এনে কৃষক সময় মতো উৎপাদনে যেতে পারে। এখন কৃষি বিভাগের কর্মকর্তাগন নিজেদের ইউনিয়নে সঠিক তদারকির মাধ্যমে কাজটি বাস্তবান করতে পালে প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন বাস্তবায়ন হবে।সেই সাথে দেশে খাদ্যা চাহিদাো পুরণ হবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি উপজেলা নির্বাহী অফিসার তানভীর আল নাসীফ বলেন,এখন আমাদের দেশে বর্ষাকাল,এসময় অতিবৃষ্টি ও বন্যার আশংকার বিষয়টি মাথায় রেখে আমাদের চাষাবদ করতে হবে। “সরকারে মাল দরিয়া ঢাল” এমন কাজ যেন না হয় সে বিষয় আমাদের গুরুত্ব দিতে হবে। তাহলে আমাদের উৎপাদন বাড়বে সাথে সাথে সরকারি অর্থের সৎব্যবহার।
উপজেলা কৃষি অফিসার ফাতেমা ইসলাম বলেন, আমাদের কৃষি বিভাগের কর্মকর্তা কর্মচারীগন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জাতির পিতার কন্য শেখ হাসিনার আহবানে সারা দিয়ে করোনা দূর্যোগের মাঝে দেশের খাদ্য উৎপাদন বাড়াতে সন্মুখ যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে। আমরা আল্লাহর রহমতে সফল কাম হবো।


error: দৈনিক হুংকারে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।