শনিবার, ২৮শে নভেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ, ১৩ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ১৩ই রবিউস সানি, ১৪৪২ হিজরি
শনিবার, ২৮শে নভেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

পদ্মার আকস্মিক ভাঙ্গনে তারাবুনিয়া স্টেশন বাজারের ১৬ দোকান বিলিন

ভাঙ্গন কবলিত ভেদরগঞ্জের তারাবুনিয়া স্টেশন বাজার। ছবি-দৈনিক হুংকার।

২৯ জুন সোমবার দুপুর ১টার দিকে পদ্মা নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় আকস্মিক ভাঙ্গন শুরু হয়েছে উত্তর তারাবুনিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান স্টেশন বাজার এলাকায়। নদী ভাঙ্গনে ১৬টি দোকান বিলিন হয়ে গেছে। এর মধ্যে ১২টি দোকানঘর রক্ষা করতে পারলেও ৪টি দোকান সম্পুর্নরূপে বিলিন হয়ে গেছে। রসুন আলীর মুদি দোকান, রহমান গাজীর চায়ের দোকান, হাবিব খালাসীর কাঠের দোকান ও ১টি মুরগির দোকান সম্পুর্নরূপে নদীগর্ভে বিলিন হয়ে গেছে।
বাজারের ব্যবসায়ী সুমন গাজী জানান, আজ সোমবার দুপুর ১টার দিকে হঠাৎ ভাঙ্গন শুরু হলে রসুন আলীর মুদি দোকান, রহমান গাজীর চায়ের দোকান, হাবিব খালাসীর কাঠের দোকান ও ১টি মুরগির দোকান সম্পুর্নরূপে নদীগর্ভে বিলিন হয়ে যায়। বাজারের মোট ১৬টি দোকান ভাঙ্গনের কবলে পড়েছে। এর মধ্যে বাজারের লোকজন ১২টি দোকানঘর অন্যত্র সরিয়ে নিতে পারলেও ওই ৪টি দোকান সম্পুর্নরূপে নদীগর্ভে বিলিন হয়ে যায়।
উত্তর তারাবুনিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো: ইউনুস সরকার জানান, নদী ভাঙ্গন আমাদের এলাকার নিত্যদিনের ঘটনা। প্রতিবছরই আমার ইউনিয়নে পদ্মার ভাঙ্গন চলে। গত বছর মাননীয় পানি সম্পদ উপমন্ত্রীর সহায়তায় ছুরিরচর থেকে স্টেশন বাজার পর্যন্ত জিও ব্যাগ ফেলার পরে গত বছর ভাঙ্গন বন্ধ থাকলেও এবার আবার পানি বাড়ার সাথে সাথে ভাঙ্গন শুরু হয়েছে। ভাঙ্গনের সংবাদ পাওয়ার সাথে সাথে ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার কাজে অংশগ্রহন করি। এসময় উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে বিষয়টি জানিয়েছি।
ভেদরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার তানভীর আল নাসীফ ভাঙ্গনের সংবাদ পাওয়ার পরপরই ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়েছেন। তিনি দুর্গত মানুষকে সহায়তার আশ্বাস দিয়ে বলেন নদী ভাঙ্গন আমাদের জন্য একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ। প্রতি বছরই আমাদের উপজেলার কোন না কোন অংশ ভাঙ্গে। মাননীয় পানি সম্পদ উপমন্ত্রী একেএম এনামুল হক শামীম মহোদয়ের সহায়তায় ভাঙ্গন অনেকটা রোধ করা সম্ভব হলেও এবার বর্ষার পানি বাড়ার সাথে সাথে উত্তরতারাবুনিয়া স্টেশন বাজার এলাকায় ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। সংবাদ পাওয়ার সাথে সাথেই আমি জেলা প্রশাসক ও মাননীয় পানিসম্পদ উপমন্ত্রী মহোদয়কে বিষয়টি অবহিত করেছি। আমরা ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা প্রস্তুত করে সম্ভব সকল প্রকার সহায়তা প্রদান করব।


error: দৈনিক হুংকারে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।