মঙ্গলবার, ১লা ডিসেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ, ১৬ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ১৬ই রবিউস সানি, ১৪৪২ হিজরি
মঙ্গলবার, ১লা ডিসেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

ভেদরগঞ্জে সরকারি খাল ও অন্যের জমি দখল করে দোকানঘর নির্মাণ

ভেদরগঞ্জে সরকারি খাল ও অন্যের জমি দখল করে দোকানঘর নির্মাণ
ভেদরগঞ্জে সরকারি খাল ও অন্যের জমি দখল করে দোকানঘর নির্মাণ

ভেদরগঞ্জ উপজেলার উত্তর তারাবুনিয়া ইউনিয়নে সরকারি খাল ও অন্যের জমি জোরপূর্বক দখল করে দোকানঘর নির্মাণ করার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় ছিটু আসামীর (৫২) বিরুদ্ধে।
এবিষয়ে ১৪ জুন উপজেলা ভূমি কর্মকর্তা বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন জমির দাবীদার আবু সাঈদ সরকার। ওই জমির উপর আদালতের নিষেধাজ্ঞা বহাল রয়েছে বলে জানিয়েছেন আবেদনকারী।
সরেজমিন ঘুরে ও স্থানীয়দের সাথে আলাপ করে জানাগেছে, ২০ বছর ধরে তারাবুনিয়া মৌজার ১০৫৪ নং খতিয়ানের ১৪১০০, ১৪২৩৬, ১৪৩০৪ দাগে এবং এস.এ ১৪৮ নং খতিয়ানের ৮৩৮১, ৮৩৮২, ৯০৮১ নং দাগের ৪ একর জমির মধ্যে ৮ শতাংশ জমি ভোগদখল করে আসছে ছিটু আসামী। ঐ সময় তিনি সেখানে অস্থায়ী কাঁচাঘর নির্মাণ করেছিলেন। তবে দলিল ও কাগজপত্র অনুযায়ী ওই জমি দাবী করছেন স্থানীয় আব্দুল হালিম, আবু সাঈদ ও আবু তাহের সরকার গংরা।
বর্তমানে ওই জমির উপর এবং পাশের সরকারি খালের বিশাল অংশ দখল করে স্থায়ী পাকা ভবন নির্মাণ কাজ শুরু করে ছিটু আসামী। অভিযোগকারীগণ, ভবন নির্মাণে বাঁধা দিলেও কোন প্রকার কর্ণপাত করছেনা ছিটু আসামী। মানছে না আদালতের নিষেধাজ্ঞাও।
আবু সাঈদ সরকার বলেন, ২০ বছর আগে আমাদের জমি জোরপূর্বক দখলে নিয়ে দোকানপাট তুলেছে ছিটু আসামী। এখন আবার সেই জমি এবং সরকারি খাল দখল করে পাকা ভবন নির্মাণ করছে সে। আমরা নিষেধ করার পরও তারা কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। তাই আমরা আদালতে মামলা করেছি এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) এর কার্যালয়ে অভিযোগ করেছি।
এব্যাপারে ছিটু আসামী বলেন, এগুলো আমাদেরই জমি। রেকর্ডীয় সম্পত্তি। এটা সবাই জানে। আমরা কোন সরকারি খাল বা অন্যের জমিা দখল করি নাই।
ভেদরগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শংকর চন্দ্র বৈদ্য বলেন, বিষয়টি নজরে আসার সাথে সাথেই সেখানে কাজ বন্ধ করতে বলা হয়েছে। সরকারি খালে কোন অবৈধ স্থাপনা তোলার সুযোগ নেই। তাই তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।


error: দৈনিক হুংকারে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।