শনিবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ১৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ৮ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪ হিজরি
শনিবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২২ খ্রিস্টাব্দ

জিতু মিয়া বেপারীর নামে অপপ্রচারের বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী

জিতু মিয়া বেপারী। ফাইল ফটো।

শরীয়তপুরের সখিপুর থানার চরসেনসাস ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান জিতু মিয়া বেপারীর নামে ষড়যন্ত্র মূলক অপপ্রচারের বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধ প্রতিবাদ জানিয়েছেন সখিপুর থানার জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও সচেতন মহল। এলাকাবাসীর মতে এ সব অপপ্রচার প্রতিপক্ষের ষড়ষন্ত্রের অংশ।
শুধু জিতু মিয়া বেপারী জনপ্রিয়তা আর সুনামের কারণে তার ব্যক্তি, সামাজিক ও রাজনৈতিক ইমেজ নষ্ট করার জন্য এ অপপ্রচার। যা কোন ধরণের ভিত্তি ছাড়াই স্থানীয় বিএনপি, যুবদল ও প্রতিপক্ষের লোকজন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়।
জীবনের শুরু থেকে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত। সৎ ও নিজস্ব ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করেন। সরকারকে নিয়মিত ভ্যাট, ট্যাক্স প্রদান করেন বলে জানা যায়।
এ বিষয়ে চরসেন্সাস নিবাসী জেলা জাতীয় শ্রমিক লীগের আহবায়ক কমিটির সদস্য শাহাদাৎ হোসেন সরদার বলেন, জিতু মিয়া বেপারী একটি ঐতিহ্যবাহী ও ধর্নাঢ্য পরিবারের সন্তান। সে চরসেনসাস ইউনিয়নের প্রথম নির্বাচিত সহ একাধিক বার চেয়ারম্যান ছিলেন। তিনি একজন সফল ব্যবসায়ী অন্যদের জমি জোরপূর্বক দখলের প্রশ্নই আসেনা। তিনি সামাজিক ও রাজনৈতিক সচেতন ব্যক্তি।
ইউনিয়ন আওয়ামীলী নেতা মফিজুল হক মাদবর বলেন, এক কথায় জিতুর সাথে রাজনৈতিক, ব্যবসায়ীক ও সামাজিক ভাবে ব্যর্থ হয়ে তার প্রতিপক্ষরা জিতু বেপারীর সুনাম নষ্ট করার চেষ্টায় এ অপপ্রচার চালিয়েছে। জিতু মিয়া বেপারীরা সব সময়ই বনেদী ও সচ্ছল পরিবার হিসেবে পরিচিত। তার বড় ভাই বাচ্চু বেপারী, ঢাকা মহানগর আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি ছিলেন, তার আর এক ভাই রুহুল কুদ্দুস কেন্দ্রীয় যুবলীগের তথ্য ও গবেষনা সম্পাদক ছিলেন। জিতু সখিপুর থানা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি ও জনপ্রিয় নেতা।
জিতু মিয়া ১৯৮৫ সাল থেকে বড় ভাইয়ের সাথে স্বর্ণ ব্যবসা করে, ইউনিয়নবাসীর দাবীতে ১৯৯৭ সালে এসে চরসেন্সাস ইউনিয়নে প্রথম নির্বাচনে বিপুল ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। এ ধরনের মিথ্যা ও অসম্মান জনক অপপ্রচারের আমি তীব্র নিন্দা জানাই।
খোকন বেপারী বলেন, জিতু বেপারী ইটের ভাটার জমি মালিকদের কাছ থেকে লিজ নিয়েছেন। তার যাবতীয় চুক্তি আমার কাছে সংরক্ষিত আছে। চাইলে দেখাতে পারবো। পানি উন্নয়ন বোর্ডের কোন জমি তার দখলে নেই। চাইলে পানি উন্নয়ন বোর্ডে যোগাযোগ করে দেখতে পারেন। আর আমাদের গ্রামের বাড়িতে যৌথ পরিবার মিলে যে বাড়ি রয়েছে তা বহু বছরের পুরানো।
চাঁদপুর জেলায় তার স্ত্রীর নামে একটি চার তলা বাড়ি রয়েছে। বহুদিন পূর্বে ওই জমি তার ছিল। আস্তে আস্তে সেখানে চার তলা গড়ে তুলেছেন। বাকী সকল তথ্য অসত্য বানোয়াট ভিত্তিহীন ষড়যন্ত্র মূলক মনগড়া।
এ বিষয় জিতু মিয়া বেপারী বলেন, “যে ব্যক্তি আমাকে নিয়ে লিখেছেন। তিনি প্রথমে দুদক কর্মকর্তার পরিচয়ে আমার কাছে ২০ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করেন। আমাকে ঢাকা অফিসে নেয়, শেগুন বাগিচায় যাওয়ার পরে সেখান থেকে আমাকে মগবাজার চৌরাস্তায় ভর্তাভাত হোটেলে নিয়ে কথা বলে। আমার সন্দেহ হলে আমি তার পরিচয় পত্র দেখতে চাইলে সে এক পর্যায়ে বলে আমি এনটিভির ক্রাইম রিপোর্টার। তখনও সে পঞ্চাশ হাজার টাকা দাবী করে। তবে পরিচয়পত্র সাথে নেই বলে জানায়। আমি চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানানোর কারণে এএম ইদ্রিস খান আমাকে নিয়ে সংবাদ প্রচারের হুমকি দেন। সে আরো বলেন, আমার বিপক্ষে সংবাদ প্রচারের জন্য অনেক লোক তাকে টাকা দিতে প্রস্তুত আছে বলে হুমকী দিয়ে চলে যায়। আমার কাছ থেকে টাকা না পেয়ে, পরবর্তীতে আমার প্রতিপক্ষের লোকজনের ইন্দনে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রচারণায় লিপ্ত হয়েছে। আমি এ বিষয়ে আইনের আশ্রয় নিব।

সংবাদটি শেয়ার করুন

দৈনিক হুংকারে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।


error: দৈনিক হুংকারে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।