শুক্রবার, ৩রা ডিসেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ১৮ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২৮শে রবিউস সানি, ১৪৪৩ হিজরি
শুক্রবার, ৩রা ডিসেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

ভেদরগঞ্জ হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে ফাতেমা

ভেদরগঞ্জ হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে ফাতেমা
ভেদরগঞ্জ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহত ফাতেমা। ছবি-দৈনিক হুংকার।

সখিপুরে জমিজমা কে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলায় আহত ফাতেমা এখনো হাসপাতালে কাতরাচ্ছেন। চিকিৎসকরা উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেয়ার কথা বললেও আর্থিক অক্ষমতার কারণে ভেদরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেই তার চিকিৎসা চলছে। এ হামলায় অন্যান্য আহতরাও সুস্থ্য হয়নি। পুলিশ এক আসামীকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করলেও অন্যান্য আসামীদের ভয়ে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরতে সাহস পাচ্ছেনা ভুক্তভোগী পরিবারটি। সখিপুরের চরন্সেসাস মালেক বেপারী কান্দি গ্রামে পৈত্রিক সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জেরে সোবাহান গাজী গংদের হামলায় রুহুল আমিন গাজীসহ ৫ জন আহত হয়।
ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানাযায়, দীর্ঘদিন যাবৎ হাসান গাজী ও সোবাহান গাজী গংদের মধ্যে জায়গা জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। গত ৩১ অক্টোবর সকালে হাসান গাজীর পৈত্রিক জমির ও কবরস্থানে সোবাহান গাজী গংরা জোরপুর্বক দখল করতে গেলে রুহুল আমিন গাজী বাঁধা দেয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে সোবাহান গাজী ও তার লোকজন রুহুল আমিন গাজীকে মারপিট শুরু করে। তার ডাক চিৎকার শুনে তার স্ত্রী মা ফাতেমা, হাসিনা বেগম ও ছেলে ইসমাইল আগাইয়া গেলে তাদেরকেও পিটিয়ে এবং কুপিয়ে জখম করে তারা। পরে এলাকার লোকজন আহতদের উদ্ধার করে ভেদরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠায়।
রুহুল আমিন গাজীর স্ত্রী ফাতেমা ৬ দিন যাবত ভেদরগঞ্জ হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে। তার মাথায় একাধিক কোপের জখম। এ ঘটনায় সখিপুর থানায় হাসান গাজী ৭ জনকে আসামী করে একটি মামলা দায়ের করেছেন।
মামলার বাদী হাসান গাজী আরো বলেন, সোবাহান গাজীর দুই ছেলে মুনছুর গাজী ও নাসির গাজী চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী। তাদের নামে থানায় এখনো মাদক মামলা আছে। তাদের ভয়ে এলাকায় কেউ কথা বলতে সাহস পায়না। আসামীরা হুমকি দিয়েছে এলাকায় গেলে আবারো মারধর করবে। তাই আমরা বাড়ি যেতে পারছি না।
সখিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান বলেন, এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। আসামী সোবাহান গাজীকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। অন্যান্য আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

মন্তব্য

দৈনিক হুংকারে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।


error: দৈনিক হুংকারে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।