বৃহস্পতিবার, ১৩ই মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ৩০শে বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১লা শাওয়াল, ১৪৪২ হিজরি
বৃহস্পতিবার, ১৩ই মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

করোনায় মৃত্যু : ব্যাংকার পরিবার পাবে ৫০ লাখ টাকা

করোনায় মৃত্যু : ব্যাংকার পরিবার পাবে ৫০ লাখ টাকা
করোনায় মৃত্যু : ব্যাংকার পরিবার পাবে ৫০ লাখ টাকা

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সরকার সর্বাত্মক লকডাউন দিলেও শুরু থেকে ব্যাংকগুলো সীমিত পরিসরে খোলা রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে করোনার আক্রান্ত হয়ে অনেক ব্যাংকারের মৃত্যু হয়েছে। করোনায় আক্রান্ত হয়ে যেসব ব্যাংক কর্মচারী-কর্মকর্তার মৃত্যু হয়েছে, তাদের পরিবার সর্বনিম্ন ২৫ লাখ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৫০ লাখ টাকা পাবেন। যারা ভবিষ্যতে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যাবেন, তাদের পরিবারও এই সুবিধা পাবেন।

সোমবার (১৯ এপ্রিল) বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ এ সংক্রান্ত সার্কুলার জারি করেছে। সার্কুলারটি দেশে কার্যরত সকল তফসিলি ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

সার্কুলারে বলা হয়েছে, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ব্যাংক কর্মকর্তা-কর্মচারীর অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যু ঘটলে ক্ষতিপূরণ হিসেবে তাদের স্ত্রী/স্বামী/সন্তান এবং অবিবাহিতদের ক্ষেত্রে বাবা বা মা ক্ষতিপূরণের অর্থ পাবেন। এ সার্কুলারের নির্দেশনা গত বছরের ২৯ মার্চ থেকে কার্যকর হবে এবং পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত বলবৎ থাকবে। অর্থাৎ গত বছরের ২৯ মার্চ থেকে করোনায় আক্রান্ত হয়ে ব্যাংকের যেসব কর্মচারী-কর্মকর্তা মারা গেছে, তাদের পরিবার এই ক্ষতিপূরণ পাবেন।

সার্কুলারে আর্থিক ক্ষতিপূরণকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে। এরমধ্যে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তা, সিনিয়র অফিসার, প্রবেশনারি অফিসার, ম্যানেজমেন্ট ট্রেইনি অফিসার বা সমমান হতে তদূর্ধ্ব পদমর্যাদার কর্মকর্তা মারা গেলে ক্ষতিপূরণ হিসেবে ৫০ লাখ টাকা পাবেন।

ট্রেইনি অ্যাসিস্ট্যান্ট অফিসার বা সমমানের পদমর্যাদার কর্মকর্তারা মারা গেলে সাড়ে ৩৭ লাখ টাকা পাবেন।

স্টাফ ও সাব-স্টাফের (যেকোনো প্রক্রিয়ায় নিয়োগ/নিয়োজিত) ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণ ২৫ লাখ টাকা দেওয়ার জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক নির্দেশনা দিয়েছে। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ঝুঁকি বিবেচনায় এবং দায়িত্ব পালনের স্বীকৃতিস্বরূপ বিশেষ ক্ষতিপূরণের নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেলে কর্মকর্তা বা কর্মচারীর ক্ষেত্রে ব্যাংকে তার অন্য কোনো দায়-দেনা ক্ষতিপূরণের অর্থ দিয়ে সমন্বয় করা যাবে না। এ ক্ষতিপূরণ বর্তমানে প্রচলিত অন্য যেকোনো প্রজ্ঞাপন/আদেশ/নীতিমালায় বর্ণিত কর্মকালীন মৃত্যুবরণের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য আর্থিক সহায়তা/অনুদানের অতিরিক্ত হিসেবে প্রদেয় হবে।

এছাড়াও বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে গত বছরের ১৫ এপ্রিল জারিকরা বিআরপিডি সার্কুলার লেটার নং-১৮ এর ৩(গ) এবং ৪ ক্রমিকে বর্ণিত নির্দেশনার কার্যকারিতা রহিত করা হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

মন্তব্য

দৈনিক হুংকারে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।