রবিবার, ১১ই এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ২৮শে চৈত্র, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২৯শে শাবান, ১৪৪২ হিজরি
রবিবার, ১১ই এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

হারিয়ে যেতে বসেছে বসন্তের শোভা শিমুল বৃক্ষ

হারিয়ে যেতে বসেছে বসন্তের শোভা শিমুল বৃক্ষ
হারিয়ে যেতে বসেছে বসন্তের শোভা শিমুল বৃক্ষ

বাহারী শিমুল ফুলে ছেয়ে গেছে শরীয়তপুর জেলার শরীয়তপুর-ঢাকা, শরীয়তপুর-মাদারীপুর ও শরীয়তপুর-চাঁদপুর সড়কের পাশের শিমুল গাছ গুলো। রাশি রাশি ফুল যেন প্রকৃতিতে মধুর বসন্তের বার্তা দিচ্ছে। শিমুল পলাশের রূপে মুগ্ধ হয়ে কবি গেয়ে ছিলেন ও পলাশ ও শিমুল আমার এ মন কেন রাঙ্গালে? রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর লিখেছিলেন, ‘রাঙ্গা হাসি রাশি রাশি শিমুল পলাশে।’ বসন্তের বার্তা বাহক বলা হয় এ দুই ফুলকে। পলাশ আমাদের জেলা থেকে হারিয়ে গেলেও শিমুল ছাড়া বসন্ত যেন পূর্ণতাই পায় না।
বসন্তের আগমনী বার্তা দেয় শরীয়তপুর শহর ছেড়ে মাদারীপুর যাওয়ার পথে কীর্তিনাশা ব্রীজের পরে সড়কের পাশে শিমুল গাছগুলো। এ গাছে প্রতিবছর শীতের শেষে রক্তবর্নে ফুল ফুটতে শুরু করে। কয়েক দিনের ব্যবধানে গাছগুলো ফুলে ফুলে হয়ে উঠে পূর্ণ যৌবনা।
শরীয়তপুর-চাঁদপুর সড়কের দেওভোগ এলাকার শতবর্ষী শিমুল গাছ গুলো কাটা পরলেও এ সড়কের দুই পাশের নবীন বৃক্ষে ফোটা শিমুল যে কোন পথচারীর নজর কাড়ে। শরীয়তপুর-ঢাকা সড়কের কাজির হাটের পরের সড়কের উভয় পাশে ফোটা শিমুল আমাদের হৃদয়ে নাচন ধরায়।
পলাশ ফুলের হারিয়ে যাওয়া নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন ভেদরগঞ্জ সরকারি এমএ রেজা ডিগ্রী কলেজের উপাদাক্ষ একেএম মাহাবুব আলম বলেন, শিমুল আর পলাশ ফুল ছাড়া বসন্ত পূর্ণতা পায়না। আমাদের জেলা থেকে পলাশ ফুল এক প্রকার হারিইে গেছে, শিমুল বৃক্ষও আজ হারিয়ে যেতে বসেছে। তিনি বলেন, শিমুল শুধু ফুলের শোভাই বর্ধন করেনা শিমুল তুলাও দেয়। তাছারা এ বৃক্ষের ঔষধী গুনও রয়েছে।

 

 


error: দৈনিক হুংকারে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।