রবিবার, ২ অক্টোবর ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ১৭ আশ্বিন ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪ হিজরি
রবিবার, ২ অক্টোবর ২০২২ খ্রিস্টাব্দ

নড়িয়ায় ইতালী প্রবাসীর উপর মাদক সেবীদের হামলা

মাদক সেবীদের হামলার শিকার ইতালী প্রবাসী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ছবি-দৈনিক হুংকার।

শরীয়তপুরের নড়িয়ায় মাদক সেবীদের হামলায় এক ইতালী প্রবাসী গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। ১৭ জুন বুধবার বিকাল সোয়া ৬টার দিকে নড়িয়া উপজেলার নলতা বাজারে এই ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় নড়িয়া থানায় অভিযোগ হয়েছে। ঘটনা তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে জানিয়েছে পুলিশ।
মামলার এজাহার ও স্থানীয় সূত্রে জানাগেছে, নড়িয়া উপজেলার নলতা গ্রামে উঠতি বয়সের কতিপয় মাদক সেবী উৎপাত শুরু করেছে। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়টি প্রতিহত করার চেষ্টা চালায়। কিছুদিন পূর্বে একই এলাকার মতি সরদারের ছেলে ইতালী প্রবাসী সুমন সরদার বিষয়টি মাদক সেবীদের পরিবারকে জানায়। এতে সংঘবদ্ধ মাদক সেবী চক্রের সদস্য রাকিব সরদার, বাদল মাদবর, রিয়াদ ছৈয়াল, হৃদয়, নাঈম, তোতা ও আরিফ মাঝি ক্ষুদ্ধ হয়ে ইতালী প্রবাসী সুমন সরদারের উপর হামলা চালিয়ে গুরুতর আহত করেছে। এই সময় সুমনের কাছে থাকা স্বর্ণের চেইন, মোবাইল ও নগদ টাকা ছিনতাই করে নিয়ে যায় মাদক সেবীরা।
মামলার বাদী সুমন সরদার নড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বেড থেকে বলেন, আমার বাড়ির পাশের জলাশয় পাড় হয়ে পরিত্যাক্ত একটা উচু জায়গায় মাদক সেবীরা অবস্থান করে মাদক সেবন করে। পরে সেখানে তারা নেশার ঘোরে চিল্লাচিল্লি ও গালিগালাজ করে। আমি প্রথমে উঠতি বয়সের ওই মাদক সেবীদের সতর্ক করি। পরে এই বিষয়টা মাদক সেবী রাকিব সরদারের পিতা তারা মিয়া সরদারকে জানাই। তারা মিয়া সরদার তার ছেলেকে শাসন করে। এতে রাকিব ক্ষিপ্ত হয়ে অন্যান্য মাদক সেবীদের নিয়ে আমার উপর হামলা চালায়। এই সময় আমার সাথে থাকা নগদ টাকা, মোবাইল ও স্বর্ণের চেইন নিয়ে গেছে। স্থানীয়রা আমাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। এই বিষয়ে আমি নড়িয়া থানায় অভিযোগ করেছি। আমার ১৮ জুন ইতালীতে চলে যাওয়ার কথা ছিল। এই ঘটনার কারনে আমার বিমান টিকিট বাতিল হয়ে গেছে। তাছাড়া আগামী মাসের মধ্যে আমি ইতালী পৌঁছতে না পারলে আমার গ্রীন কার্ডও বাতিল হতে পারে। আমি এলাকা থেকে মাদক নির্মূল করতে গিয়ে মাদক সেবীদের হামলার শিকার হয়েছি। আমি মাদক মুক্ত এলাকা চাই এবং মাদক সেবীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।
নড়িয়া থানার পুলিশ উপ-পরিদর্শক বিশ্বজিৎ বলেন, এই বিষয়ে একটা অভিযোগ পাওয়া গেছে। আমি বিষয়টি তদন্ত করে প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছি। তবে কে ভিকটিমকে আঘাত করেছে তা জানতে পারিনি। থানার ওসি’র সাথে আলাপ করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করব।

সংবাদটি শেয়ার করুন

দৈনিক হুংকারে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।


error: দৈনিক হুংকারে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।